‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় ভারতের সবচেয়ে বড় ডিসপোজেবল হাইজিন পণ্য উৎপাদন কেন্দ্রের শক্তিতে বেবি কেয়ার, মহিলা হাইজিন ও অ্যাডাল্ট কেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত এগোচ্ছে পান হেলথ
মোল্লা জসিমউদ্দিন,
হাইজিন পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম শীর্ষ সংস্থা পান হেলথ বড় পরিসরে উৎপাদন, নিয়মিত নতুন পণ্য বাজারে আনা এবং কেন্দ্র সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বেবি কেয়ার, মহিলা হাইজিন এবং অ্যাডাল্ট কেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত নিজেদের ব্যবসা বাড়িয়ে চলেছে।
লিটল অ্যাঞ্জেল (বেবি কেয়ার), এভারটিন (মহিলা হাইজিন) এবং লিবার্টি (অ্যাডাল্ট কেয়ার) – এই তিনটি প্রধান ব্র্যান্ডের মাধ্যমে পান হেলথ সব বয়সের মানুষের জন্য হাইজিন পণ্য তৈরি করে। স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংস্থাও নিয়মিত নতুন পণ্য বাজারে আনছে এবং বিভিন্ন বিভাগে নিজেদের পণ্যের পরিসর বাড়াচ্ছে।
লিটল অ্যাঞ্জেল ব্র্যান্ডের অধীনে সংস্থা এখন শুধু ডায়াপার এবং ওয়াইপসেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রিমিয়াম বেবি কেয়ার বিভাগে বেবি ফিডিং ও বাথ কেয়ার পণ্য, প্রিমিয়াম সিনডেট বার, প্রিমিয়াম বেবি সোপসহ আরও নানা প্রয়োজনীয় বেবি কেয়ার পণ্য নিয়ে আসছে। অন্যদিকে এভারটিন ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রিমিয়াম স্যানিটারি প্যাড, প্রিমিয়াম পিরিয়ড প্যান্টি, প্যান্টি লাইনার এবং মহিলাদের জন্য আরও নতুন হাইজিন পণ্য বাজারে আনা হচ্ছে। গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই সংস্থা নিয়মিত নতুন পণ্য নিয়ে আসছে।
পান হেলথের এই উন্নয়নের মূল শক্তি হল গুজরাটের রাজকোটে অবস্থিত ভারতের সবচেয়ে বড় ডিসপোজেবল হাইজিন পণ্য উৎপাদন কেন্দ্র। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্রটি ৩০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এবং এখানে ৭ লক্ষ বর্গফুটেরও বেশি উৎপাদন এলাকা রয়েছে। প্রতি বছর এখানে ৩.৭ বিলিয়নেরও বেশি হাইজিন পণ্য তৈরি হয়। আধুনিক প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থা, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে সংস্থা বড় পরিসরে উন্নত মানের হাইজিন পণ্য তৈরি করছে।
‘মেক ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ এই ভাবনাকে সামনে রেখে পান হেলথ ভারতে বিশ্বমানের হাইজিন পণ্য তৈরি করছে। প্রযুক্তি, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (R&D), উৎপাদন এবং নতুন পণ্যে ধারাবাহিক বিনিয়োগের ফলে সংস্থা দেশের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।
