IEW ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে ২৮–৩১ জানুয়ারি ২০২৭, নিউ টাউন কনভেনশন সেন্টারে
মোল্লা জসিমউদ্দিন,
দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে ভারতের জ্বালানি চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির ভবিষ্যৎকে রূপ দেওয়া প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলিই ইন্ডিয়া এনার্জি উইক (IEW) ২০২৭-এর আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।
২৮–৩১ জানুয়ারি ২০২৭ কলকাতায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে চলেছে IEW-এর পঞ্চম সংস্করণ। “উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করা। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আগামীর নির্মাণ।” এই ভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি বছরের প্রথম বৃহৎ আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নীতি-নির্ধারক, জ্বালানি ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী এবং শিল্পক্ষেত্রের বিভিন্ন অংশীজনকে একত্রিত করবে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করাই হবে এর অন্যতম লক্ষ্য।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কলকাতায় ইন্ডিয়া এনার্জি উইক (IEW) ২০২৭-এর কার্টেন রেইজার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে ইন্ডিয়া এনার্জি উইকের পঞ্চম সংস্করণের প্রস্তুতির যাত্রা শুরু হল। অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস; রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও শিল্প পুনর্গঠন; এবং শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দফতরের মন্ত্রী শ্রী তাপস রায়, পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী ড. স্বপন দাশগুপ্ত-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
কার্টেন রেইজার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী তাপস রায় বলেন, “কলকাতায় IEW ২০২৭ আয়োজনের ফলে ভারতের জ্বালানি ব্যবস্থায় পূর্ব ভারত এবং পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গ এবং বৃহত্তর পূর্বাঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরার জন্য আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি করতে পারব।”
পূর্ব ভারতের জ্বালানি রাজধানী হিসেবে উঠে আসার প্রসঙ্গে শ্রী দাশগুপ্ত বলেন, “এটিও স্বীকার করা গুরুত্বপূর্ণ যে আজ কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগরে চলা নতুন অনুসন্ধানের সম্ভাবনার সঙ্গে, প্রতিবেশী অসম, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার সঙ্গে মিলিত হয়
