নারী পাচারের অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা, বাদুড়িয়ায় গ্রেফতার ৩
বসিরহাট : সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার সরফরাজপুর গ্রামের।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নারী পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেফতার করতে রবিবার সরফরাজপুর গ্রামে যায় বাদুড়িয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে গেলে তার কয়েকজন অনুগামী পুলিশের কাজে বাধা দেয় এবং পুলিশকর্মীদের মারধর করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগে মুন্না গাজী ও আব্দুস সামাদ নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনের খোঁজ চলছে। গ্রেফতার হওয়া আব্দুল কাইয়ুমকে স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তিনজনকেই সোমবার বসিরহাট আদালতে তোলা হয়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, গত ১ আগস্ট স্বরূপনগর সীমান্ত এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি নাবালিকাকে উদ্ধার করেন বিএসএফ। পরে তাকে স্বরূপনগর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে ওই নাবালিকা জানায়, তাকে অচৈতন্য করে আনা হয়েছিল এবং জ্ঞান ফেরার পর সে নিজেকে ভারতে দেখতে পায়।
ঘটনার তদন্তে নেমে স্বরূপনগর সীমান্ত এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আব্দুল কাইয়ুমের নাম ও ঠিকানা জানতে পারে তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেফতার করতে সরফরাজপুরে যায় বাদুড়িয়া থানার পুলিশ। আর তখনই পুলিশের উপর হামলা ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।
