ওয়াসিম বারি,


এবার মৃত্যুদন্ডের রায়দানের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানালেন ভিনরাজ্য  মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা  এক জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য। জানা গেছে ওই ব্যক্তি  লস্কর-ই-তইবা সদস্য। মঙ্গলবার দিন কড়া পাহাড়ায়  দিল্লির তিহাড় জেল থেকে কলকাতায় আনা হয়েছে  সেখ আবদুল নইম নামে জঙ্গি  সংগঠনের ওই সদস্যকে। কলকাতা হাইকোর্টের  বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে -‘  আপাতত কলকাতার একটি সংশোধনাগারে রাখতে হবে দন্ডিত ব্যক্তি কে ।সংশোধনাগার  থেকেই আদালতে এসে সশরীরে সওয়াল করবেন ওই ব্যক্তি ‘। প্রসঙ্গত , ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা বেনাপোল-পেট্রোপোল সীমান্ত হয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন নইম। গত ২০০৭ সালে বেআইনি ভাবে সীমান্ত থেকে ভারতে প্রবেশ করা নইমকে তার আরও তিন সঙ্গীর সঙ্গে গ্রেফতার করে বিএসএফ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পাওয়া যায়। তদন্তে জানা যায়   , ভারতে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন তাঁরা। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা নইম ছাড়াও ওই দলে ছিলেন মুজফ্ফর আহমেদ নামে এক পাকিস্তানি। এ ছাড়া এক জন কাশ্মীরে বসবাসকারী এবং নইম নিজে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা বলে প্রকাশ । বনগাঁর অতিরিক্ত জেলা আদালতে তোলা হলে ভারপ্রাপ্ত বিচারক ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে থাকে । মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হয় নইমের।তিহাড় জেলে থাকা এই নইম সস্প্রতি ফাঁসি রদের আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান। লস্কর-ই-তইবার সদস্যকে আপাতত কলকাতার কোনও সংশোধনাগারে কড়া নিরাপত্তায় রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত নির্দেশিকায় জানিয়েছে -‘ রাজ্য পুলিশের ডিজি, কারা দফতরের ডিআইজি সিদ্ধান্ত নেবেন কোন সংশোধনাগারে রাখা হবে নইমকে’। যদিও আসামি  নিজে প্রেসিডেন্সি জেলে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। অন্য দিকে, হাইকোর্ট  জানায়, – ‘ নইম  কে আইনজীবীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা করার সুযোগ করে দিতে হবে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে’। খুব তাড়াতাড়ি এই ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সওয়াল হতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে বলে জানা গেছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *