আরএমবিএফ কলকাতা ইস্ট ইন্ডিয়া সামিট ২.০
কলকাতা, 23 আগস্ট ২০২৬: আরএমবিএফ কলকাতার উদ্যোগে কলকাতার দ্য স্যাটারডে ক্লাবে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হল ইস্ট ইন্ডিয়া সামিট ২.০। অনুষ্ঠানে ২০০-রও বেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী এবং ফেলোশিপ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী শ্রী তপস রায় । তিনি বাংলার শিল্পোন্নয়ন, নতুন নীতি এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে তাঁর মতামত তুলে ধরেন।
“দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোটারিয়ানরা আজ রোটারি মিন্স বিজনেস ফেলোশিপ কলকাতা ইস্ট ইন্ডিয়া সামিটে উপস্থিত হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং পেশাজীবীদের এক মঞ্চে নিয়ে আসার এই উদ্যোগের জন্য আমি আরএমবিএফ কলকাতাকে সাধুবাদ জানাই।
গত পাঁচ দশক ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি তার প্রাপ্য গুরুত্ব পায়নি। নতুন শিল্পমন্ত্রী হিসেবে আমাকে একেবারে গোড়া থেকে কাজ শুরু করতে হবে।
আমরা একটি নতুন শিল্পনীতি, ভূমিনীতি এবং ল্যান্ড ব্যাংক তৈরি করছি। শিল্প ও উদ্যোক্তাদের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত আড়াই মাসে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি ও উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আমরা উৎসাহব্যঞ্জক আগ্রহ দেখতে পেয়েছি। জাপান, আমেরিকা, দুবাই, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং জার্মানির প্রতিনিধিরা, যার মধ্যে মিতসুবিশির মতো সংস্থাও রয়েছে, আমাদের দপ্তরে এসে বাংলায় ব্যবসা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
দীর্ঘ সময়ের শিল্পক্ষেত্রের স্থবিরতার পর বাংলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটতে চলেছে—এটি তারই একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।
আমরা চাই সরকার এবং ব্যবসায়ী মহল বাংলার উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে একসঙ্গে কাজ করুক। বাংলাকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমরা আপনাদের পরামর্শ, মতামত এবং ধারাবাহিক সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।”
আরএমবিএফ ফেলোশিপ ইন্টারন্যাশনালের বিশ্ব চেয়ার রোটারিয়ান অরবিন্দ বাত্রা বলেন:
“আপনার পরবর্তী সুযোগ হয়তো মাত্র একটি সংযোগের দূরত্বে।”
সম্মেলনে একান্ত আলাপচারিতা, গোলটেবিল আলোচনা, দ্রুত নেটওয়ার্কিং এবং ব্র্যান্ড নির্মাণ নিয়ে বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
আরএমবিএফ কলকাতা চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান শ্রী কৌশিক সেন বলেন:
“সম্পর্ক যেখানে বাড়ে, ব্যবসাও সেখানে বাড়ে এবং নেটওয়ার্কিংয়ের প্রকৃত মুদ্রা হল বিশ্বাস।”
আরএমবিএফ কলকাতার ১০ বছরের যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেও এই সম্মেলন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। পারস্পরিক বিশ্বাস, জ্ঞান বিনিময় এবং সহযোগিতার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
……………………………………………………………………………………………………
