সিবিআই নয় আইপিএস দয়মন্তী সেনের নেতৃত্বে তদন্ত চায় গাংনাপুরের নির্যাতিতার পরিবার 

সাধন মন্ডল
নিরপেক্ষ এবং নির্ভীক তদন্তে জনপ্রিয়তা বাড়ছে আইপিএস দয়মন্তী সেনের। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই নয় আইপিএস দয়মন্তী সেনের নেতৃত্বে তদন্তের দাবিতে মামলা দাখিল  হলো। চলতি সপ্তাহে  চারটি ধর্ষণ মামলার তদন্তেও এই আইপিএস কে  নজরদারির ভার দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের হাতে নদিয়ার গাংনাপুরে এক বধূকে ধর্ষণ এবং খুনের তদন্তের নজরদারির দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে।

নির্যাতিতার বাবার সেই আবেদন বৃহস্পতিবার গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। আজ অর্থাৎ  শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হতে পারে। আদালত সুত্রে প্রকাশ, গত ৬ মার্চ নদিয়ার গাংনাপুরে বাড়িতে ঢুকে ওই বধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ধর্ষণের পরে জোর করে কীটনাশক খাইয়ে তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়। গত ১৪ মার্চ কল্যাণীর সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার। পরিবারের অভিযোগ, -‘ এই ঘটনার পর তাঁরা বারবার স্থানীয় পুলিশের কাছে গিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত এফআইআর গ্রহণ করেনি’।থা নার সাহায্য না পেয়ে তাঁরা জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখান থেকেও তাঁরা কোনও রকম সহায়তা পাননি। ঘটনার দেড় মাসের পরেও পুলিশের সহায়তা না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গত সপ্তাহের রাজ্যের চারটি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তে নজরদারির দায়িত্ব পেয়েছেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কমিশনার দময়ন্তী। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ দেগঙ্গা, মাটিয়া, বাঁশদ্রোণীর এবং ইংরেজবাজার ধর্ষণের মামলার তদন্তের উপর নজরদারির দায়িত্ব দেয় তাঁকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *