ক্রীড়া সংস্কৃতি

কিশোর কুমারের ৯১ তম জন্মবার্ষিকী পালন চুঁচড়ায়

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


যুগে যুগে পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে তাদের নশ্বর দেহ পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও মানুষের মনের মণিকোঠায় তারা চিরকাল থেকেই গেছেন। এরকমই এক চরিত্র হলেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী তথা অভিনেতা কিশোর কুমার গাঙ্গুলি। যদিও সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত। মৃত্যুর তেত্রিশ বছর পর আজও সঙ্গীত প্রেমী শ্রোতার কাছে তিনি সমান জনপ্রিয়।
করোনা জনিত বিধিনিষেধের কারণে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে ৪ ঠা আগষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই মহান শিল্পীর ৯১ তম জন্মদিন পালন করল হুগলির চুঁচুড়া শ্রদ্ধাঞ্জলি ইউনিট। প্রসঙ্গত চুঁচুড়া হলো বনশ্রী সেনগুপ্ত, সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, জটীলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের মত বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীর জন্ম ভিটে। সংস্হাটি ১৯৯৪ সাল থেকে নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই দিনটি পালন করে আসছে। প্রতিবছর এই দিনে এলাকার সুপরিচিত ও উঠতি সঙ্গীত শিল্পী এবং যাত্রা জগত সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক জগতের মানুষদের ‘কিশোর স্মৃতি সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।গরীব ও দুঃস্থ শিশুদের দেওয়া হয় পুজোর পোশাক। কিন্তু এবছর সরকারি নির্দেশ মেনে সব বন্ধ। পরিবর্তে কিশোর কুমারের বয়স-সম ৯১ সেণ্টিমিটার কেক তৈরি করে শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে উপস্থিত ত্রিশ জন সদস্যকে কিশোর কুমারের প্রতিকৃতি অঙ্কিত মাস্ক দেওয়া হয়।
এর আগে চন্দননগর আইডিয়াল কালচারাল সেণ্টার প্রদত্ত এবং চুঁচুড়া পৌরসভার দান করা জমিতে স্হাপিত কিশোর কুমারের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন পৌর প্রশাসক গৌরিকান্ত মুখার্জ্জী, বিদায়ী কাউন্সিলর জয়দেব অধিকারী, ক্লাব সদস্য সঞ্জিত চ্যাটার্জ্জী সহ অন্যান্য ক্লাব সদস্যরা। এই মূর্তিটি ২০১৪ সালের ৪ ঠা আগষ্ট বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী বনশ্রী সেনগুপ্ত উদ্বোধন করেন।
সঞ্জিত বাবু বললেন- অন্যান্য বছর জাঁকজমক পূর্ণ হলেও পরিবর্তিত পরিস্হিতিতে মানুষের স্বাস্হ্যের কথা চিন্তা করে এবছর সব বাতিল করতে হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *