প্রশাসন

জামুড়িয়ায় ওবিসির শংসপত্র বিতরণ

কাজল মিত্র

জামুড়িয়া বিধান সভার চিঁচুড়িয়ায় জেলা প্রশাসনের তরফে বুধবার এসসি, এসটি ও ওবিসির জাতি প্রমাণপত্র দেওয়ার এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, আসানসোল পুরনিগমের মেয়র, জামুড়িয়ার বিডিও এবং চিঁচুড়িয়া গ্রাহক পঞ্চায়েত সদস্য দের উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষ দের মধ্যে জাতির প্রমাণ পত্র বিলি করা হয়।সাথে সাথে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রীদের ও সংবর্ধনা দেওয়া হয় ওই একই মঞ্চ থেকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, সংরক্ষণ নিয়ে দেশে অনেক কথা বলা হয়। কিন্তু সংরক্ষণ হওয়ার পরেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় নি। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো প্রয়োজনের সময় এই সার্টিফিকেট যার কাছে থাকা উচিত, তখন তার কাছে তা থাকেনা। আর তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জোর দিয়েছেন যে বাস্তবে যে আসলে এসসি ও এসটি তারকাছেই যেন তার প্রমাণ পত্র থাকে। প্রথমে জাতির প্রমাণ পত্র পেতে সাধারণ মানুষের প্রচুর সমস্যায় হতো। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় গোটা প্রক্রিয়াকে অনলাইনের মাধ্যমে করে স্কুলের মাধ্যমে জাতির প্রমাণ পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।
এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী বলেন
হতে পারে এটা একটা কাগজের । কিন্তু ভবিষ্যতে এটাই জীবনের দিশা বদলে দিতে পারে। উচ্চ শিক্ষা থেকে চাকরি পাওয়ার আপনার স্বপ্নকে পূরণ করতে এই কাগজ অনেক সাহায্য করবে৷
টিভি, মিডিয়া ও অন্য রাজনৈতিক দল মা, মাটি, মানুষের সরকারের বদনাম করে চলেছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার সেই ২০১১ সাল থেকে সব প্রয়োজনের জন্য কাজ করছে৷ রাজ্যের ২৩ জেলার সব মানুষের সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন৷ আদিবাসী দের পেনশন দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মাসিক পেনশনের দুটি প্রকল্প চালু করেছেন৷ বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রশাসন প্রমাণ পত্র দেওয়ার কাজ করছে৷ যাতে অনেক বেশি মানুষ পেনশন প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন৷ এই ধরনের প্রকল্প দেশের ২৯ রাজ্যের কোথাও নেই। গরীব মানুষদের জন্য একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কাজ করছেন। করোনা সংকটের সময় সাধারণ মানুষের কাছে রেশন ও রেশন কার্ড দেওয়া হয়েছে। যার নিন্দা করার কথা যে বাড়িতে বসেই নিন্দা করেন৷ আর যার কাজ করার কথা সে, কাজ করে যাবেন৷ করোনা মহামারী মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনকে আটকে রাখতে পারে নি৷ কন্যাশ্রী প্রকল্পে এক কোটি পড়ুয়ার লাভ হয়েছে। সেখানে কেন্দ্রের বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াওয় লাভ কেউ পায়নি। কন্যাশ্রী প্রকল্প নারী শিক্ষাকে বাড়িয়েছে৷ দিদি দেখিয়ে দিয়েছেন, যে সাহায্য করলে, মেয়েরা অনেক এগিয়ে যেতে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *