ক্রীড়া সংস্কৃতি

আল্পনা চিত্র কে ধরে রাখতে শান্তিনিকেতনে কর্মশালা

খায়রুল আনাম,

 আল্পনা চিত্রকে ধরে রাখতে কর্মশালা শান্তিনিকেতনে
       
বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর প্রাণ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করেছিলেন, তাঁর স্বপ্নের বিশ্বভারতী বেঁঁচে থাকলে কলা ও সঙ্গীতকে আধার করেই বেঁঁচে থাকবে। সেই সময় তিনি কলাভবনকে তাঁর স্বপ্ন দিয়ে সাজাবার দায়ীত্বভারটি অর্পণ করেছিলেন নন্দলাল বসুর উপরে। পরবর্তীতে বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়, সুধীর খাস্তগীর, রামকিঙ্কর বেইজ প্রমুখ বিশ্ববরেণ্য শিল্পীদের হাত ধরে কলাভবন আন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী হয়েছে। এইসব শিল্পীরা এবং গৌরী ভঞ্জের হাত ধরে কলাভবনে যে আল্পনা চিত্রের সমৃদ্ধি ঘটে,  তা   বিশ্বের শিল্পী মহলে বিশেষ সম্ভ্রম আদায় করে নেয়। শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে আজও আল্পনা চিত্রের বিশেষ নান্দনিক দিকগুলি উন্মোচিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে  শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে  বিশ্বভারতীর সমাবর্তন বা অন্য অনুষ্ঠানে আজও আল্পনা চিত্রের রীতি প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।        শান্তিনিকেতনের শিল্প সত্ত্বার সেই আল্পনা চিত্র বা রীতিকে ধরে রাখতে এবং সকলের কাছেই তাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে  ৬ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরিতে  এক দিনের আল্পনা চিত্রের একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। যে কর্মশালায় বিভিন্ন বয়সের বত্রিশ জন শিল্পী অংশ নেন।  আয়োজকদের পক্ষে লোপামুদ্রা মিত্র জানান,  আল্পনা চিত্রে শান্তিনিকেতনের একটা নিজস্ব ঘরানা এবং ঐতিহ্য রয়েছে।  সম-সময়ে সবার কাছে আল্পনা চিত্রের  সেই ঐতিহ্য এবং পরম্পরাকে ধরে রাখতেই তাঁরা এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন ।। 
 ছবি : আল্পনা চিত্রের কর্মশালা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *