বর্ধমান জেলা

সেচখাল সংস্কারে বর্ধমানে বোরোচাষীদের বিক্ষোভ

সুরজ প্রসাদ,

পূর্ব বর্ধমান জেলার সেচখালের বাঁধ মেরামতের দাবীতে কৃষকরা সেচ দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখালো বর্ধমান শহরে ।মঙ্গলবার ভেঙে
যাওয়ায় এবার চরম সংকটে বোরোচাষীরা।অন্যদিকে সেচখালের বাঁধ ভেঙে জল ঢোকায় আলু,সর্ষের জমি জলের তলায়।মাথায় হাত চাষীদের।
মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের রাইপুর,ভিটা,শোনপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের চাষীরা বর্ধমানের সেচ দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবী অবিলম্বে সেচখালের ভাঙা বাঁধ মেরামত করতে হবে।
সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় জমিতে বোরোধান রোয়ার কাজ শুরু হবে।এই সময়ে বীজতলায় জলের দরকার।কিন্তু সেচের বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের ভিটা শোনপুর সেচ খালের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় জল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাঁধ ভেঙে পাকা ফসলে জল ঢুকে চরম সংকটে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।
জানুয়ারীর শেষের দিকে বোরোচাষের জন্য ডিভিসির সেচখালগুলিতে জল দেওয়া শুরু হয়েছে জেলায়। এলাকার চাষী সুকুমার ঘোষ জানান সেচখালের বাঁধ ভাঙা বা দুর্বল তার খোঁজ রাখে নি সেচ দপ্তরের কর্মীরা। তিন ‘দিন আগে বোরোর জল সেচ খালের বাঁধ ভেঙে ঢুকে যায় আলু,সর্ষে ও পেঁয়াজের জমিতে।টানা দু’দিন ও দু’রাত টানা আলু, সর্ষের জমি ছিল জলের তলায়। ফলে এখন পাকা আলু বা সর্ষে নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় এলাকার চাষীরা।
এদিন এলাকার কৃষকরা জেলা সেচ দপ্তরের অফিসে বাঁধ মেরামতের জন্য বিক্ষোভ দেখায় ও ডেপুটেশন দেয়। তাঁরা বলেন সেচখালের ভাঙা বাঁধ মেরামত করে জল দেওয়া শুরু করতে হবে। নাহলে তাদের বীজতলার বীজ শুকিয়ে যাবে।
এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন চাষীদের সমস্যার কথা শুনেছি।অনেক জমিতে আলু ও সর্ষে ক্ষতি হবার সম্ভাবনা। তবে সরকার পাশে আছে। বাঁধ মেরামতের জন্য সেচ দপ্তরের কর্মীরা ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *