ক্রীড়া সংস্কৃতি

নেতাজী জন্মবার্ষিকীতে নক্ষত্রদের মাঝে সম্মানিত সাংবাদিক গোপাল দেবনাথ

জয়দেব দেবনাথ,

ভারতবর্ষের স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর স্মরণে প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করে হলো। নেতাজীর আদর্শ, ত্যাগ, স্বাধীনতা সংগ্রাম, ধর্মনিরপেক্ষতা জাতীয়তাবাদ-জীবনী বিষয়ক আলোচনা, কথা, গান, কবিতাপাঠ, নৃত্য, আবৃতি, নাটক ইত্যাদিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে স্মরনে, বরনে মননে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু স্মৃতি স্মারক বক্তৃতা- ২০২১ এর মাধ্যমে প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ  অর্পণ করা হলো গত ৩০ জানুয়ারি মধ্য কলকাতার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ভবনে। আয়োজনে বাংলা -শিল্পী– সাহিত্যি– সমাজকর্মী–সাংবাদিক সমন্বয় সমিতি ও আম্বেদকর কালচারাল কলেজ।
ওই দিন উভয় বাংলার নানা প্রান্তের মহান ব্যাক্তিদের কর্ম কৃষ্টি প্রতিভাধর গুণীজন কলাকুশলী অভিনেতা, অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, শিক্ষাব্রতী, সাংবাদিক, সমাজ সংস্কারকদের বলিষ্ঠ ভূমিকা ও অমর সৃষ্টিকে বিশ্ব বাসীর কাছে পৌঁছে  দিতে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবর্ষ স্মৃতি স্মারক সম্মান প্রদান করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করেন ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই, অভিনেত্রী সান্ত্বনা বসু, শিল্পপতি কে কে সিংহানিয়া সহ বিশিষ্টজন। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী ডি আশীষ, অভিনেতা রাহুল বর্মন, অভিনেত্রী শিউলি রামানি, গুরুজী বিনয় মহারাজ, শ্রীময়ী সোনাই শাস্ত্রী, ডাঃ কৌশিক রায় চৌধুরী, আচার্য পণ্ডিত শ্রী শঙ্কর, প্রফেসর মনোরঞ্জন ঘোষ, তরুণ সেন, শ্রী গৌতম, তরুণ বড়াল, বিশপ ডঃ শ্রীকান্ত দাস, ডঃ রতন কুমার বড়ই সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওই দিনের অনুষ্ঠানে সূচনা সঙ্গীত পরিবেশন করেন রঞ্জিত চন্দ্র, কৃষ্ণ বন্ধু ধর, সন্মেলন বিশ্বাস ও কনক ভৌমিক।
নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু মেমোরিয়াল লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট খেতাব পান সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট গুণীজন। নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু’র ১২৫ তম জন্মবর্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতি স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয় ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই, শ্রী কে,কে সিংহানিয়া, ডি.আশীষ, বব চক্রবর্তী, রঞ্জিত চন্দ্র, স্বান্তনা বসু,রাহুল বর্মণ, বিশিষ্ট সাংবাদিক গোপাল দেবনাথ, মানস দাস, মনোরঞ্জন ঘোষ, উত্তম বিশ্বাস, বংশীবদন চ্যাটার্জি, দেবপম দাস, কার্ত্তিক দাস, আচার্য পণ্ডিত শ্রী শঙ্কর, শ্রী গৌতম শাস্ত্রী, শ্রী জীত শাস্ত্রী, অরুন বড়াল, সন্মেলন বিশ্বাস, নিতাই মৃধা, তপন কুমার দাস, সোনাই শাস্ত্রী, ডঃ শ্রীকান্ত দাস, তরুণ শেঠ, ডাঃ কৌশিক রায় চৌধুরী, রুপা রায় চৌধুরী, মিঠু চক্রবর্তী, সর্বানী চ্যাটার্জি, উজ্জ্বল বিশ্বাস, মিলন বসু, দিলীপ বিশ্বাস, লীলাবতী বিশ্বাস, কৃষ্ণ বন্ধু ধর, কাকলি  মজুমদার, কৃষ্ণ বালা, সঞ্জিব চক্রবর্তী,বিজয় শেঠ,দেবকন্যা সেন,বেনুগোপাল ঘোষ, দীপক ভট্টাচার্য্য, জয়া বসু, দেবীকা বন্দ্যোপাধায়, সুবর্ণা চ্যাটার্জি, অরবিন্দ বসাক, উৎপল চক্রবর্তী, শিউলি রামানী, স্বপন সেন, রাঘব পোরে, রবীন্দ্র নাথ রায়, কনক ভৌমিক, দীপা দাস, সুরেশ আগরওয়াল, দেবরাজ ব্যানার্জি, ধীরু ব্যানার্জি, সর্বানি সর্বাণী চ্যাটার্জি, মানব বিশ্বাস, বেনুধর গোস্মামী, তপন কুমার দাস, শীতল মহালদার, পার্থ সারথী বর, মঞ্জুলা বর, রেখা ঘোষ, অমিত সেনগুপ্ত, চিন্ময় বিশ্বাস, কামাল হোসেন, দেবাশীষ ব্যানার্জি, হিন্দোল মিত্র, সুজিত চক্রবর্তী, কানন সেন, প্রদীপ বড়াল, সঞ্জীব হালদার, সুব্রত বিশ্বাস, নৌশাদ মল্লিক, তরুণ সেন, মনীন্দ্র পাল, শ্রী জিৎ শাস্ত্রী, বেনু গোপাল ঘোষ, বিশ্বজিৎ  দত্ত, ইন্দ্রজিৎ আইচ, রাজ ব্যানার্জি, ডঃ রতন কুমার বারুই, সত্যব্রত সেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন -বিশ্বনাথ চৌধুরী, সূচনা বক্তব্য রাখেন সম্পাদক ও আইনজীবী প্রদীপ বড়াল, আহ্বায়ক মিলন বসু সকলকে স্বাগত জানান। তিনি নেতাজির উপর মনোজ্ঞ আলোচনা করেন এবং কবিতা পাঠ করেন।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন লীলাবতী বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং সঞ্চালনায় সহযোগিতা করেন বিজয় শেঠ, দেবকন্যা সেন, বেনুগোপাল ঘোষ।
বাংলা-শিল্পী–সাহিত্যিক–সমাজকর্মী–সাংবাদিক সমন্বয় সমিতির সম্পাদক এবং অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা প্রদীপ বড়াল বলেন প্রতি বছর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নানা ক্ষেত্রে যে সকল মানুষ সমাজে বিশেষ অবদান রেখেছেন তাদের স্মারক দিয়ে সন্মান জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের ১০টি জেলা থেকে উপস্থিত হয়ে সন্মান গ্রহণ করে অনুষ্ঠান সফল করে তোলেন। আম্বেদকর কালচারাল কলেজের অবদান এ ক্ষেত্রে উল্লেখ যোগ্য। পন্ডিত স্বপন সেন গিটার বাদনের মাধ্যমে পাঁচটি দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করেন। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দিলীপ বিশ্বাস। অনুষ্ঠান শক্ত হাতে পরিচালনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *