প্রশাসন

রাইপুর ব্লক প্রশাসনের পর্যটন ভাবনা

সাধন মন্ডল,

জঙ্গলমহলের রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর কার্যালয় ও তৎসংলগ্ন কমিউনিটি হল এবং মুক্ত মঞ্চের সামনের ফাঁকা জায়গা নতুনভাবে সেজে উঠেছে। যেখানে আগে লাল মোরাম এর ছড়াছড়ি সেখানে সবুজ ঘাসের বনানী। মনে হবে পাহাড়ি ঝরনা বয়ে চলেছে কমিউনিটি হলের পাশ দিয়ে সূর্যদেব পশ্চিম দিগন্তে হেলে গেলেই লাল নীল হলুদ নানান রঙের লাইট জ্বলে উঠছে সারা কমিউনিটি হলে বাইরে। মনে হবে কোন এক মায়াবী পার্কে এসে হাজির হলাম। জঙ্গলমহলে অত্যন্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশ তৈরির পিছনে যার হাত রয়েছেন তিনি হলেন রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সর্দার ও জেলা প্রশাসন। সেজে উঠছে কমিউনিটি হলের ভেতর। সুন্দর পরিবেশ তৈরির পিছনে কারন কি জানতে চাইলে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সর্দার বলেন যেখানে কাজ করব তার সামনের পরিবেশ মনোরম হওয়া দরকার তাছাড়া পরিবেশ সুন্দর হলে সেই জায়গায় অর্থনৈতিক উন্নয়নও ঘটে। পঞ্চায়েত সমিতির সহযোগিতায় আমরা আগামী দিনে কমিউনিটি হল ও তৎসংলগ্ন জায়গা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ভাড়া দিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির আর্থিক উন্নয়ন ঘটবে। এ ব্যাপারে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু বলেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ভাড়া দিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির আর্থিক উন্নয়ন ঘটবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। জঙ্গলমহলের বুকে এত সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠেছে যা জেলার ব্লক গুলোর মধ্যে অন্যতম। বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের রাইপুর ব্লক সভাপতি জগবন্ধু মাহাত বলেন বিডিও সাহেবের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। স্বল্পমূল্যে এত সুন্দর পরিবেশে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান করা সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার খুব শীঘ্রই কমিউনিটি হল ও তৎসংলগ্ন জায়গা সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হবে বলেও জানান সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সর্দার। ভাড়া দেওয়া শুরু হলে এত কম খরচে এত সুন্দর পরিবেশ পাওয়া সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার বলেই রায়পুরবাসী মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *