রাজনীতি

গলসীতে পালিত হলো নানুরের সূচপুর দিবস

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


স্হানীয় বিধায়ক তথা এলাকার সদ্য নিযুক্ত কো-অর্ডিনেটর অলোক মাজির নেতৃত্বে গত ২৭ শে জুলাই সন্ধ্যার সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসী ১ নং ব্লকের পারাজ গ্রামের বাগ্দী পাড়ায় এলাকার মানুষের উপস্থিতিতে গ্রামের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। একসময়ের সিপিএমের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি ছিল গলসী। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও উন্নয়নের ছিটেফোঁটা এলাকার মানুষের কপালে জোটেনি। ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মত এখানকার মানুষ উন্নয়নের প্রকৃত স্বাদ পায়। গত পাঁচ বছর ধরে চলমান সেই উন্নয়ন আরও গতিশীল হয় । সেইসব বিষয়গুলি উপস্থিত গ্রামবাসীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
বিধায়ক বলেন – উন্নয়ন ও মমতা ব্যানার্জ্জী যে সমার্থক তা বাংলার মানুষ গত দশ বছর ধরে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে উপলব্ধি করেছেন। তিনি সরাসরি এলাকার মানুষের কাছে তাদের সমস্যা জানতে চান। এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি তৃণমূলের স্হানীয় নেতা-কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এর আগে সিপিএমের হার্মাদদের আক্রমণে নিহত বীরভূমের নানুরের শহীদদের স্মরণ করা হয়। মমতা ব্যানার্জ্জীর উন্নয়নের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে লালন বাগ্দী, ডাব বাগ্দী, প্রতীক বাগ্দী, পরেশ রুইদাস, দীপক বাগ্দীর নেতৃত্বে দুই শতাধিক বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দেয়।তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিধায়ক স্বয়ং এবং তিনি বলেন এরফলে এখানে তৃণমূল আরও শক্তিশালী হলো।
তৃণমূলে যোগ দিয়ে তারা বলেন – সিপিএম এখানে কোনো উন্নয়ন করেনি। বিজেপি আমাদের ভুল বুঝিয়েছে। অথচ দেখতে পাচ্ছি মমতা ব্যানার্জ্জীর নেতৃত্বে এখানে উন্নতি হচ্ছে। তাই আমরা তৃণমূলে যোগ দিলাম।
আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী জাকির হোসেন, সেখ বাপি, কালিপদ দে, অঞ্চল প্রধান সেখ সাজাহান সহ তৃণমূলের স্হানীয় নেতা-কর্মীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *