পুলিশ

বার্ণপুরে পরিত্যক্ত হোটেলে উদ্ধার লাশ

বার্নপুরে এক হোটেল থেকে মৃতদেহ পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য

কাজল মিত্র

:- হিরাপুর থানার অন্তর্গত বার্নপুরের একটি পরিত্যক্ত হোটেল থেকে দগ্ধ অবস্থায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত পিন্টু মাঞ্জি (২৫), কুলটি থানার গাঙ্গুটিয়ার বাসিন্দা। হীরাপুর থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহতের বড় ভাই মিলেন মাজিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনা হয়েছে। যে হোটেল থেকে মৃতদেহটি পাওয়া গেছে , সেই হোটেল টি পুলিশ বন্ধ করে রেখেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হবে।
আসানসোল দুর্গাপুরের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন যে ময়নাতদন্ত ছাড়া জানা যাবে না যে যুবকের মৃত্যুর কারণটি ঠিক কী ছিল। যুবকের দেহের উপরের কিছুটা অংশ পুড়ে গেছে।দেহের কাপড় এবং জামার কিছু অংশ আগুনে পুড়ে গেছে। হোটেলটির ভিতরে যুবকটিকে দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে, সেখানে আগুনের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ সন্দেহ করেছে যে শনিবার রাতে যুবক এবং তার সহযোগীরা বনের চারপাশে হোটেল ঘরে আগুন দিয়েছে, এতে যুবকের শরীরে আগুন লেগেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুলটিতে পিন্টু মাজির বড় ভাই মিলন মাজির সবজির দোকান আছে। মিলন বাবু বলেন যে পিন্টু সকালে তার দোকানে থাকত। পরে তিনি বার্নপুরে আসেন। রাতে সে বাড়ি আসতনা। সিআইএসএফ এর কাছে বেশ কয়েকবার ধরাও পড়েছে।মিলন মাঝি কী করত তা তার দাদার জানা ছিলনা।তবে তার দাদার অনুমান বা লোকের মুখে শুনেছেন যে তাঁর ভাই বার্নপুরের ইসকো কারখানা থেকে লোহা চুরি করতেন। সেই চুরির জন্য তিনি সিআইএসএফের হাতে ধরা পড়েছিলেন বহুবার।মিলন বাবু বলেন যে আজ সকালে বাড়িতে না আসায় দুটি লোক বাড়িতে এসে খবর দেন যে পিন্টুর পা ভেঙেছে। কিন্তু পরে খবর পেয়ে সকাল এগারোটায় হোটেলে এসে দেখে তার ভাই মৃত অবস্থায় পরে আছে। তারপরে তিনি আশেপাশের লোকজনকে খবর দেন।এবং হীরাপুর থানার অফিসার সৌমেন্দ্র নাথ ঠাকুর কে খবর দেওয়া হলে তিনি তার দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃত দেহটি জেলাহাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *