ক্রীড়া সংস্কৃতি

গুসকারায় বইমেলা করার দাবি

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,

        শীতকাল মানেই মেলার রমরমা। বিভিন্ন ধরনের উৎসবকে কেন্দ্র করে সাধারণ মেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে 'বইমেলা' আয়োজিত হয়। প্রকাশকরা তাদের বই-এর সম্ভার নিয়ে হাজির হয়। অনেক সময় কবি বা লেখক স্বয়ং উপস্থিত থাকেন মেলাতে। বইপ্রেমীদের ভিড়ে উপচে পড়ে বইমেলা। শুরু হয় ভাবের আদান-প্রদান।
   রাজ্যের বিভিন্ন পৌরসভায় বইমেলা আয়োজিত হলেও সেই স্বাদ থেকে বঞ্চিত পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভা ও তৎসংলগ্ন মঙ্গলকোট, ভাতার ও আউসগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ  এলাকার বইপ্রেমী মানুষ। এই গুসকরার উপর ঐসব এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে। পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্হাও ভাল। এই গুসকরাতেই আছে মহাবিদ্যালয় সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বছরের বিভিন্ন সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। বইপ্রেমী মানুষেরও অভাব নাই। অনেকেই বাধ্য হয়েই অন্যান্য শহরে আয়োজিত বইমেলায় হাজির হলেও কেউ কেউ সেই সুযোগ পায়না।
      মঙ্গলকোটের বইপ্রেমী তৃণা মুখার্জ্জী বললেন - গুসকরায় গর্ব করার মত অনেক কিছু থাকলেও বড় আপশোস এখানে কোনো বইমেলা হয়না। অথচ বইপ্রেমী মানুষের সংখ্যা অনেক। পৌর প্রশাকমণ্ডলীর কাছে আমার আবেদন  আমাদের কথা ভেবে যদি গুসকরাতে একটি বইমেলার আয়োজন করা হয় খুব ভাল হয়।
      তৃণার প্রস্তাব শুনে প্রশাসক মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য কুশল মুখার্জ্জী বললেন - খুবই ভাল প্রস্তাব। এটা আমাদের মাথায় আছে। ত‍ৃণার মত অসংখ্য বইপ্রেমীদের কথা ভেবে আমরা অবশ্যই প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করব। তবে অতিমারীর এবং সময়ের স্বল্পতার কারণে এবার হয়তো সম্ভব হবেনা।  আগামী দিনে নিশ্চয়ই ব্যবস্হা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *