রাজনীতি

সেভ বেঙ্গলের সভা হলো তারকেশ্বরে

সুভাষ মজুমদার,

সেভ বেঙ্গলের অনুষ্ঠান হল তারকেশ্বরে

 তারকেশ্বরে, সেভ বেঙ্গলের উদ্যোগে ‘আগামী দিনের সোনার বাংলা গঠনে শিক্ষিত সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছিল। ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সহ- সংগঠন সম্পাদক শিবপ্রকাশজী-র স্বপ্নের প্রকল্প হল এই ‘সেভ বেঙ্গল’। তারকেশ্বরের এই অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তারকেশ্বরেরই মানুষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবী করেন যে, তারকেশ্বরের উন্নতিকল্পে এখানে একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি বিশ্ববিদ্যালয় দরকার। অয়নবাবু বলেন তারকেশ্বরের বাবা তারকনাথের মন্দিরের সঙ্গে আশে পাশের বিভিন্ন অঞ্চলের পুরনো মন্দির, তীর্থস্থান ও পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে যুক্ত করে একটি ‘ট্যুরিজম সার্কিট’ গড়ে তোলা যেতে পারে। তাহলে বাবা তারকনাথের দর্শনার্থীরা তারকেশ্বরেই ২-৩ দিন থেকে আশেপাশের দ্রষ্টব্য স্থানগুলি ভ্রমণ করতে পারবে এবং তারকেশ্বর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। অয়নবাবু আরও বলেন- ‘‘তারকেশ্বরসহ হুগলীর বিস্তীর্ণ অঞ্চলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে আলু উৎপন্ন হয়। অথচ দুঃখের বিষয় যে পশ্চিমবঙ্গে উন্নত মানের আলুবীজ পাওয়া যায় না। তাই পাঞ্জাব থেকে উন্নত মানের আলু বীজ ক্রয় করতে হয়। ফলে আলু চাষের খরচও বেড়ে যায়। তাই তারকেশ্বরেরই চাঁপাডাঙ্গা অঞ্চলে একটি উন্নত মানের আলুবীজ গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করা উচিত।’’  

সেভ বেঙ্গলের ন্যাশনাল কনভেনর দিল্লি-প্রবাসী বাঙ্গালী অনিমেষ বিশ্বাস সেভ বেঙ্গলের উদ্দেশ্য ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে বলেন। তিনি স্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের আগামী দিনের সোনার বাংলা গঠনে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান। সেভ বেঙ্গলের সদস্য গৌতম চট্টোপাধ্যায়ও অতীতের সোনার বাংলা ভবিষ্যতেও গঠন করাই সেভ বেঙ্গলের উদ্দেশ্য বলে ব্যাখ্যা করেন। অনুষ্ঠানটিতে অধ্যাপক, চিকিৎসক, শিক্ষকসহ শতাধিক তারকেশ্বর বিধানসভার বিশিষ্ট মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এই স্থানীয় বুদ্ধিজীবীরা তারকেশ্বরের উন্নতির জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেন এবং নিজেরাও এই উন্নতিযজ্ঞে সামিল হয়ে আগামী দিনের সোনার বাংলা গঠনের সংকল্প নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *