প্রশাসন

সহায়ক মূল্যে ধান কেনার পদ্ধতিতে ক্ষুব্ধ খোদ কৃষিমন্ত্রী!

খায়রুল আনাম (সম্পাদক আয়না টেলি নিউজ )

 সহায়ক মূল্যে ধান কেনার  পদ্ধতিতে ক্ষুব্ধ খোদ কৃষিমন্ত্রী 
       
সরকারি সহায়ক মূল্যে চাষিদের কাছ থেকে যে ভাবে ধান হচ্ছে, তার পদ্ধতি নিয়ে নিজের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করলেন বীরভূমের রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী ড. আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।  এবার নভেম্বর মাসের প্রথম থেকে সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হলেও, চাষিরা এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে ধান  বিক্রি করতে না পারার ফলে তাঁরা চরম অসুবিধার মধ্যে পড়ছেন। এরফলে রবি শস্য এবং গ্রীষ্মকালীন ধান চাষের ক্ষেত্রে চাষিরা চরম সমস্যার  মধ্যে পড়েছেন।  ফড়েদের হাতে পড়ে চাষিরা সর্বস্ব হারাচ্ছেন বলেও কৃষিমন্ত্রী মনে করছেন।        ধান উৎপাদক চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কিনছে  খাদ্য দফতর। এজন্য জেলায় ২৫টি সিপিসি, ৩৩ ইসিএসসি ও  ২২টি অন্যান্য কেন্দ্র থেকে ধান কেনা হচ্ছে। জেলার ১৯টি ব্লকে এই সংখ্যা অত্যন্ত নগন্য।  কৃষিমন্ত্রী ড. আশিস  বন্দ্যোপাধ্যায়  বলছেন, এরফলে চাষিরা সরকারি সহায়ক কেন্দ্রে এসে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। এরফলে ফড়েরাজ প্রাধান্য পাচ্ছে। চাষিরা সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।  অনেক ক্ষুদ্র চাষি কিষাণ মাণ্ডিতেই  আসতে পারছেন না। কেন্দ্রগুলি থেকে চাষিদের তাঁদের কাছে ধান বিক্রির জন্য জুন মাসে তারিখ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একজন সাধারণ চাষির পক্ষে ধান ধরে রেখে এতো বিলম্বে ধান বিক্রি করা একেবারেই সম্ভব নয়। রবি চাষ, গ্রীষ্মকালীন ধান চাষের জন্য তাঁদের এখনই ধান বিক্রি করাটা জরুর।   আর এজন্য কৃষিমন্ত্রী আরও বেশি সংখ্যায় ধান কেনার কেন্দ্র করার  দাবিও জানিয়েছেন।।       

ছবিটি – মেমারির বঙ্গধ্বনি কর্মসূচি পালনে ধান ঝাড়াই এর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *