পুলিশ

চিত্তরঞ্জন মার্কেটে আগুন, চাঞ্চল্য

চিত্তরঞ্জনে মার্কেটে আগুন, চাঞ্চল্য 

কাজল মিত্র,

; ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত হল  কাঠের দোকান।সোমবার গভীর রাতে  ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার চিত্তরঞ্জন আমালাদহী মার্কেটে ।আমালাদহী বাজারে রয়েছে বহু দোকানপাট আর সেখানেই মঙ্গলবার সকালে  স্থানীয়রা দেখতে পান একটি কাঠের দোকানে আগুনের শিখা।যেকোনো সময় মুহূর্তের মধ্যে ওই দোকান থেকে পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়তে পারে আগুন।স্থানীয়রা খবর দেয় দমলক বাহিনীকে পাশাপাশি বালতি করে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রাই।  পর্যাপ্ত জল না থাকায় সেই কাজ বিশেষ এগোয়নি।এর মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়আসানসোল ,চিত্তরঞ্জন,ও জামতারা জেলার পাঁচটি দমকল।দমকল কর্মীরা পৌঁছনোর ঘণ্টা তিনেক পর নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। দোকান মালিক অনন্ত চক্রবর্তী জানান -“কি কারণে এই আগুন লাগলো বুঝতে পারছি না, আমি প্রতিদিন দোকানের মেন সুইজ অফ করে দোকান বন্ধ করি, তবে কি করে শর্টসার্কিট হবে, প্রচুর ক্ষতি হয়েছে এখন বুঝতে পারছি না মোট কত ক্ষতি হয়েছে কিন্তু কিছু দিন আগে ১২লক্ষ টাকার জিনিস পত্র কিনে ছিলাম ওইটা পুরো জ্বলে গেছে”।তবে স্থানীয় মানুষ জনের অনুমান শর্টসার্কিট জেরে এই আগুন লেগেছে।দমকল বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা চলে আসি ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গিয়েছে। বড় ধরণের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে এলাকার মানুষ।’’তবে দোকানে সবমিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।এরিয়া ৬ নং এর ভাইস ওয়াডেন বাপ্পা কুন্ডু জানান মঙ্গলবার সকালে প্রায় সাতটা নাগাদ তারা দেখেন  ফার্নিচার দোকানের ওয়াকসপের ভিতরে আগুন,সঙ্গে সঙ্গে বাজার কমিটির সমস্ত মানুষজন মিলে দোকানের দরজা ভেঙ্গে ফার্নিচার গুলো সরিয়ে দেওয়ার পরে জল দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। আগুন বাড়তে থাকলে অবশেষে চিত্তরঞ্জন,জামতোড়া ও আসানসোল থেকে দমকল বাহিনী ডাকা হয়।পাঁচটি দমকল ইঞ্জিনের মাধ্যমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।কিন্তু দোকান মালিকের ক্ষতি প্রচুর হয়েছে।এই প্রসঙ্গে চিত্তরঞ্জন দমকল বিভাগ থেকে জানা যায় কি কারণে এই আগুন তা এখন জানা যায়নি তবে তদন্ত চলছে।তাছাড়া ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরপিএফ কমান্ডেন জয়ন্ত রায় ,টাউন পোস্ট ইন্সপেক্টর পার্থ বিশ্বাস ,ইন্সপেক্টর আরপিএফ অজয় কুমার সিং,পাপন ভূঁইয়া সাব ইন্সপেক্টর সহ অনেকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *