রাজনীতি

বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রার প্রস্তুতি দেখে গেলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

খায়রুল আনাম (সম্পাদক সাপ্তাহিক বীরভূমের কথা ),

 বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রার প্রস্তুতি দেখে গেলেন  চন্দ্রিমা
       
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতন সফরে এসে সেখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করার সময় রাজনৈতিক বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। তারপরই ওইদিন বিকালে তিনি বিজেপির দলীয় কর্মসূচীতে অংশ নিয়ে বোলপুর ডাকবাংলো মাঠ থেকে বোলপুর চৌ- রাস্তা পর্যন্ত একটি রোড-শো করেন। যাতে অভাবনীয় ভীড়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো বোলপুরের জনজীবন। আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ভীড় দেখে রীতিমতো উজ্জীবিত হয়ে ওঠে বিজেপি।        এরপরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়   জানিয়ে দেন যে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর তিনি বোলপুরের গীতাঞ্জলি সংস্কৃতি অঙ্গনে জেলা প্রশাসনিক বৈঠক সেরে রাত্রিবাস করবেন আমার কুটিরের   রাঙাবিতানে। তার পরদিন ২৯ ডিসেম্বর তিনি বোলপুর ডাকবাংলো মাঠ থেকে বোলপুর চৌ-রাস্তা পর্যন্ত একটি পদযাত্রা করবেন।      মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণার পরই তাঁর  জেলা প্রশাসনিক বৈঠকের চেয়ে  অধিক চর্চ্চায় চলে এসেছে তাঁর পদযাত্রার প্রসঙ্গটি। তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন যে, ২৯ ডিসেম্বর তিনি বোলপুর ডাকবাংলো মাঠ থেকে বোলপুর চৌ-রাস্তা পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন।  আর এরপরই বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই দিনের পদযাত্রাকে সফল করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সর্বশক্তি নিয়ে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়ে দিয়েছেন,  দলনেত্রীর ওই দিনের পদযাত্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ সামিল হবেন। এবং এঁঁরা সকলেই বোলপুর মহকুমা এলাকা থেকেই আসবেন।  আর এই পদযাত্রার প্রথমেই থাকবেন দশ হাজার মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী।  আর এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বোলপুরে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে আসেন  রাজ্য মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী তথা স্বাস্থ্য  ও পরিবার কল্যাণ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।  জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি-সহ অন্যান্যদের সাথে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  ২৯ আগস্ট বেলা দেড়টার সময় ডাকবাংলো মাঠ থেকে পদযাত্রা শুরু করলেও দলীয় কর্মীদের  সকাল  দশটা থেকেই  ডাকবাংলো মাঠে সমবেত হতে হবে। পদযাত্রার সামনেই বর্ণাঢ্য পোশাকে থাকবেন দশ হাজার মহিলা। তারপরই থাকবেন বাউল ও লোকশিল্পীরা।  এরপরই থাকবে আদিবাসী নৃত্যশিল্পীদের দল। এরপর থাকবেন মতুয়া  সম্প্রদায়ের মানুষ এবং কীর্তনীয়ারা।  সেইসঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি-সহ একটি ট্যাবলোর শোভাযাত্রা নিয়ে  প্রায় এক কিলোমিটার পদযাত্রা করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সময় রাস্তার দু’পাশ থেকে ছড়ানো হবে ফুলের পাপড়ি।।
 ছবি : অনুব্রত মণ্ডল ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *