ক্রীড়া সংস্কৃতি

দুর্গাপুরে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা হলো

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,


চূড়ান্ত খেলায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও দুই দিন ব্যাপী নৈশ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায়
শেষ পর্যন্ত খাটপুকুর গ্রামের টনি ও রোহিত জুটি বামুনারা গ্রামের প্রশান্ত ও নেপাল জুটির কাছে হার মানতে বাধ্য হলো। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছিল যে কোনো জুটি জিততে পারত। চূড়ান্ত খেলার ফলাফল ছিল ২-১.
এর আগে ২০ শে ডিসেম্বর পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর মলানদিঘী মিলনী সংঘ ও লাইব্রেরীর উদ্যোগে স্হানীয় ও আশেপাশের গ্রামের ১৬ টি টিম নিয়ে প্রথমবারের জন্য নৈশকালীন এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। নিজ নিজ এলাকা বা গ্রামের নামেই প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও বিজিত দলের সঙ্গে সঙ্গে সেমিফাইনালে অংশগ্রহণকারী দুটি টিমের হাতেও ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্টের শিরোপা লাভ করে বামুনারা গ্রামের প্রশান্ত। এছাড়াও ব্যাডমিন্টনে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে স্হানীয় খেলোয়াড়দের হাতে ব্যাট, কর্ক সহ খেলার অন্যান্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
প্রবল ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে দু’দিনই যথেষ্ট সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিল। খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেওয়ার জন্য অতীতের কয়েকজন বিখ্যাত ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাব সম্পাদক কৃশানু ব্যানার্জ্জী বললেন – দীর্ঘদিন ধরেই খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মলানদিঘী উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করে চলেছে। ‘খেলাশ্রী’ প্রকল্পে সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য পেলেও করোনা বিধিনিষেধের জন্য আমরা কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারিনি। সামান্য সুযোগ পেয়েই আমরা ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য স্হানীয় খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেওয়া। তিনি আরও বলেন মানিক দাস, শুভম কেশ, অঞ্জন মুখার্জ্জী সহ অন্যান্য ক্লাব সদস্য ও গ্রামবাসীদের সক্রিয় সহযোগিতার জন্য অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। এরজন্য সবার কাছে তিনি কৃতজ্ঞ।

 139 12,89,834

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *