সাহিত্য বার্তা

মৃত্যু – মিতি হালদার

মৃত্যু,


মিতি হালদার,

মানুষের আত্মসত্তার উপলব্ধির দুটো করে থাকে গল্প,
একটা রূপকথা,অন্যটা বাস্তবিকতার।
একটা মিথ্যাচারের প্রবন্ধ,
অন্যটা নিছকই জটিল সম্পর্কের চিত্রনাট্য।

কুহেলি রাত্রির নিয়ন আলোর নীচে,
ঠোঁটে লেপ্টে থাকে শত সহস্র-
খুচরো সুখের আপেক্ষিক তোষামোদ।
মনের অযত্নের কাটাঁগাছের কারাগারে লুকিয়ে রাখে-
সাতরঙা মানবী অভিমান ।

আর থাকে নিদ্রাহীনতার রক্তজবা চোখের আড়ালে,
একটা পোড়া বুক বিদগ্ধ।
যেখানে অলিন্দ নিলয়ের উচাটন সঙ্কোচনে-
অনুভূতি নামক পরজীবীর অস্তিত্ব ভীষণভাবে প্রকট।

আর জীবন মৃত্যুর ঠিক মাঝখানের ফাঁকে,
এই দুটি গল্প সমান্তরালে চাপা রাখে-
ঠুনকো ভালোবাসা-বাসির মর্মাহত গগনভেদী কলতান ।
এই দুটি গল্পের সূচনা আর উপসংহারে-
সব না পাওয়ার মাঝে অস্পষ্ট থাকে কিছু পাওয়া,
সব পাওয়ার মাঝে স্পষ্ট থাকে কিছু না পাওয়া,
তাই কি মানুষের,আত্মহননের কাছে-
মনের প্রশান্তিকে খুঁজতে যাওয়া?

মৃত্যুক্ষনে যখন মাথা ভারী হয়ে আসে-
ঠিক উচ্চতর পাহাড়ের মতো,
হৃত্পিণ্ডের আওয়াজও ঘন থেকে ঘনতর হয়ে কানে বাজে-
অনেকটা আছড়ে পড়া বন্য ঢেউয়ের মতো,
যখন,নিঃশ্বাস হারায় বিশ্বাস,
আর বিশ্বাসরা আশ্রয় খোঁজে মৃত্যুর শীতল পরশে,
ঠিক তখনই এই মানুষের নতুন পরিচয় হয় মৃত বোবা লাশে।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *