প্রশাসন

রবি চাষে ডিভিসির জল ছাড়া হবে ২৬ শে ডিসেম্বর

সুরজ প্রসাদ ,

রবি ও বোরোচাষের ডি ভি সি’ র জল ছাড়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নিলেন পাঁচ জেলার আধিকারিক ও প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা।বর্ধমানের সার্কিট হাউসে এই সভাটি হয়। পূর্ব বর্ধমান ; পশ্চিম বর্ধমান; বাঁকুড়া; হুগলী ও হাওড়া এই জেলার প্রশাসনের কর্তারা এতে অংশ নেন। সেচ দপ্তরের সুপারিন্টেণ্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার দেবাশীষ পড়ুয়া জানান; মোট ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ফিট জল এবারে পাওয়া সম্ভব। জানা গেছে এর দ্বারা মোট ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০ একর জমি সেচসেবিত হতে পারবে।বৈঠকের শেষে পূর্ব বর্ধমানের সভাধিপতি শম্পা ধারা জানান;চাষির এই খবরের দিকে তাকিয়ে থাকেন।এ মরশুমে এ জেলায় মোট ৭৮ হাজার একরে চাষিরা জল পাবেন। রবি চাষে জল দেওয়া হবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে।অন্যদিকে বোরোর জল মিলবে ২৭ জানুয়ারী থেকে ।জল দেওয়া শেষ হবে ৩০ এপ্রিল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক এনাউর রহমান জানান; গতবারের মত একই রকম ভাবে এবারেও জল দেওয়া হবে। জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতিতে। বিস্তারিত সূচি আলোচনা হবে।সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানা গেছে; রবিতে প্রায় একমাস জল দেওয়া চলবে। প্রতিক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ দিন জল দেবার পর প্রায় ১০ দিনের বিরতি দেওয়া হবে।
আউশগ্রামের নওয়াদার গ্রামের বাসিন্দা অশোক ঘোষ বলেন বোরোর জল দিলে আগে থেকে ঘোষণা করা হলে ভালো হয়।কারণ আমরা জমিতে সর্ষে ও গম চাষ করার পর বোরোচাষের জন্য জল দেওয়া হলে সর্ষে ও গমের জমি জল ঢুকে নষ্ট হয়ে যায়।তাই আগে ভাগে জানতে পারলে চাষীদের সুবিধা হয়।আমরা জমিতে সর্ষে বা গম চাষ করবো না।
আলিগ্রামের বাসিন্দা গৌতম রায় বলেন এবার তো অবস্থা খুবই খারাপ খরিফে সাদা শীষ হয়ে যাওয়ায় ধানের ফলন একেবারে অর্ধেক হয়ে গেছে। জল দিলে খানিকটা হলেও ক্ষতিপূরণ হবে। ভাতারের ওড়গ্রামের বাসিন্দা অসিত রায় বলেন বোরোচাষের জল দিলে তা পরিমাণ মত দিতে হবে।নাহলে উৎপাদন মার খায়।

 102 12,89,834

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *