হাবরা – অশোকনগর আমফানের দাপটে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ

প্রশাসন

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস ছিল এই এলাকার উপর দিয়ে আমফান বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেটা যে এত ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে পারে সেটা কল্পনা করতে পারেনি হাবরা অশোকনগরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা।
গত ২০ শে মে বিকেল বেলায় এই এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যায় ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আমফান। ঘণ্টা দেড়েকের তাণ্ডব লীলার শেষে চারদিকে শুধু ধ্বংসের চিহ্ন দেখা যায়। রাস্তার উপর পড়ে আছে বড় বড় গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি। চতুর্দিকে ছড়িয়ে আছে বিদ্যুতের তার।বহু বাড়ি ভেঙে গেছে। উড়ে গেছে ঘরের চাল। সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে ঈশ্বরীগাছা, নটনী, দেপাড়া, দীঘিরহাট, বেড়াবেড়ি, শ্রীকৃষ্ণপুর প্রভৃতি এলাকায়।
ক্ষতির পরিমাণ দেখে চমকে উঠেছে এলাকার বাসিন্দা সন্তু ব্যানার্জ্জী, স্বপন ঘোষ, বিপুল ওরাং, অষ্ট দাস, সুদেব দাস প্রমুখরা।
সন্তু বাবু বললেন – এর আগে এরকম বিধ্বংসী ঝড় কখনো দেখিনি। চোখের সামনে একের পর এক ভেঙে পড়ছে বড় বড় গাছ, বিদ্যুতবাহী খুঁটি। দালান বাড়িকেও নিরাপদ বলে মনে হচ্ছিলনা। মৃত্যুভয় চেপে বসেছিল। বিদ্যুত না থাকায় যেমন মোবাইলে ‘চার্জ’ দেওয়া যাচ্ছেনা তেমনি ‘টাওয়ার’ না থাকার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যাচ্ছে – এলাকাবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে। জেনারেটারের সাহায্যে আলোর ব্যবস্হা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.