রেল ও রাজ্যের সমন্বয়ের অভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন যাত্রা দুর্ভোগে

প্রশাসন

সুরজ প্রসাদ

এবার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে আসা শ্রমিক স্পেশালের যাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল বর্ধমান জংশন।নদীয়া ;বীরভূম ; মূর্শিদাবাদের যাত্রীরা কোথায় নামবেন তা নিয়ে চূড়ান্ত টানাপোড়েন চলে। প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় দাড়িয়ে থাকে ট্রেন।কয়েকদিন আগে মুম্বাইয়ের থানে থেকে প্রায় ১৭০০ যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি ছাড়ে। পথে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন বলে তাদের অভিযোগ। এদিন সকালে ট্রেনটি বর্ধমানে এলে বর্ধমানে কাউকে নামতে দেওয়া হয়নি। এরপর ডানকুনি নিয়ে চারঘণ্টা দাড় করিয়ে রাখা হয়। ট্রেনটিকে ফিরিয়ে আনা হয় বর্ধমান স্টেশনে। সেখানে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার যাত্রীদের নামানো হয়।কিন্তু ক্ষুধার্ত অসহায় যাত্রীরা নেমে পড়েন। সবচেয়ে অসুবিধার মধ্যে পড়েন নদীয়া বাকুড়া পুরুলিয়ার যাত্রীরা। তারা কোথায় যাবেন কীভাবে যাবেন কিছুই ঠিক নেই। রেল ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে। শিশু ও মহিলাসহ প্রায় সাড়ে তিনশো মানুষ নেমে পড়েন।ওদিকে তাদের কোনো ব্যবস্থাও নেই। তারা বারবার বিক্ষোভ দেখান। ইতিমধ্যে ভারত স্কাউট এন্ড গাইডের স্বেচ্চচ্ছাসেবী বাহিনী তাদের জল ও টিফিন বিতরণ করেন।সংবাদমাধ্যেমের হস্তক্ষেপে নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। নদীয়া বাকুড়া পুরুলিয়ার যাত্রীদের বর্ধমানেই নামানোর অনুমতি দেওয়া হয়ে।জানা গেছে তাদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে।সেখানে পূর্ব পশ্চিম বর্ধমানের যাত্রীরাও আছেন।তাদের সোয়্যাব টেস্ট করা হবে। সেখান থেকে বিকল্প ব্যবস্থা করবে জেলা প্রশাসন। নদীয়া মূর্শিদাবাদ মালদা সহ বাকি যাত্রীদের নিয়ে ট্রেন কুচবিহারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় একঘন্টা পরে। হাফ ছেড়ে বাঁচে রেল প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.