আমফানে বাসন্তির বিরিঞ্চিবাড়ী গ্রাম যেন ধ্বংসস্তুপ

প্রশাসন

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


প্রায় প্রতি বছরই ছোট-বড় সামুদ্রিক ঝড়ের মুখোমুখি হয়ে থাকে সুন্দরবন এলাকার মানুষ জন। কিন্তু এবারই প্রথম বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী থাকল সুন্দরবন লাগোয়া বাসন্তী থানার বিরিঞ্চিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা।
গত ২০ শে মে বিকেলের দিকে ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে এই এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় ‘উম্ফান’ বা ‘আমফান’। ঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়ে একের পর গাছ, বিদ্যুতবাহী খুঁটি ও ঘরবাড়ি, উড়ে যায় বাড়ির চাল।স্হানীয় বাসিন্দা নীহার মণ্ডল, বিষ্ণুপদ মণ্ডল, মহাদেব মণ্ডল সহ বহু মানুষের বাড়ির সামনে বা বাড়ির উপরে ভেঙে পড়ে বড় বড় গাছ।রাস্তার উপর পড়ে থাকতে দেখা যায় ভেঙে পড়া গাছ।
নীহার বাবু বললেন – প্রায় সমুদ্রের ধারেই আমাদের গ্রাম। আইলা থেকে ফণী সব ধরনের ঝড় আমরা দেখেছি। তবে এত গতিশীল ঝড় আমরা এর আগে দেখিনি। আমাদের গ্রামে বহু গাছ ও ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। স্হানীয় প্রশাসন সময় মত গ্রামবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে দেওয়ার জন্য আমাদের গ্রামে মৃত্যুর কোনো খবর নাই।বিদ্যাধরী নদীর বাঁধ না ভাঙার জন্য গ্রামটি প্লাবিত হয়নি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যাচ্ছে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরও এলাকায় বিদ্যুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। জেনারেটারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাসিন্দারা নিজেরাই ভেঙে পড়া গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.