করোনা আবহের মধ্যে গলসিতে কেন শাসকদলের সশস্ত্র হিংসা

পুলিশ

সেখ নিজাম আলম

গলসি থানার পুরসা গ্রামে গতকাল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মুড়িমুড়কির মত বোমা পড়েছিল। লালনগোষ্টী ও কমল গোষ্ঠীর মধ্যে এই দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বে গতকাল মোট ২৯ জনকে আটক করে গলসি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বোমার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়েছিল মহিলা ও গরুও। শেষমেশ ২০ জন শিক্ষক ও নিরীহ মানুষকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। আজ আবার গলসি থানার পুলিশ পুরসা গ্রামে এসে সমস্ত দোকান পাঠ বন্ধ করে দেন। ফলের দোকান,মিষ্টির দোকান প্রভৃতি খাবারের দোকানও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ হেন আচরণে পুরসা গ্রামের মানুষ ক্ষুব্ধ। একদিকে তৃনমূল নেতারা এরেস্ট হওয়ার ভয়ে গ্রাম ছেড়ে বাইরে। এই রোজার সময়ে খাবার বা ফলের দোকান খোলা না পেলে মানুষ ইফতার করতে পারবেন কি করে? তাই শেষমেশ এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গ্রামের মানুষ আন্দোলনে নামবেন বলে সূত্রে জানা গেছে। তবে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষে সেখ চঞ্চল দোকান খোলার ব্যাবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তাই শেষ ধৈর্য্য ধরতেও রাজি হয়েছেন পুরসা গ্রামবাসী। তবে বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগে এর সুষ্ঠু মীমাংসা হওয়ার প্রয়োজন। কারণ রোজার প্রথমদিন থেকে ফলের ও মিষ্টির দোকান অনবরত খোলা ছিল। তখন কেউ বাধা দেয়নি। আর এখন এত বাধা কেন? একদিকে করোনায় তটস্থ গোটা বিশ্ব। সেখানে ক্ষমতা দখলের জন্য বোমা গুলির প্রয়োজন ঘটেছে গলসিতে। তাতে শাসকদলের প্রতি ক্রমশ তিক্ততা বাড়ছে এলাকাবাসীর

Leave a Reply

Your email address will not be published.