পারুলিয়ায় কবিগুরু প্রণাম

ক্রীড়া সংস্কৃতি

দীপঙ্কর চক্রবর্তী


১৯৫৮ সালে পূর্বস্হলীর পারুলিয়া গ্রামে বন কেটে বাঘ তাড়িয়ে বসতি স্হাপন করেছিলেন ওপার বাংলা থেকে ছিন্নমূল হয়ে আসা বছর আঠারোর ব্রজেন্দ্র কুমার চক্রবর্ত্তী।গ্রাম্য এলাকায় বিভিন্ন সেবামূলক কাজের সাথে সাথে স্কুল গঠন সহ বহু প্রতিষ্টান গঠন করেন।তিনি বুঝেছিলেন মানুষের বেঁচে থাকার খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্হানের সাথে জীবন গঠন মূল্য বোধ দরকার। আর এগুলো মানুষ পেতে পারে সংগীত,চারকলার মধ্যে।তাই তো শিক্ষকতার সাথে শুরু করলেন পারুলিয়ায় আনন্দলোক সংগীত মহাবিদ্যালয়।রবীন্দ্র ভাবধারায়,শান্তিনিকেতনের আদলে গড়ে তুললেন। সেই থেকে এখানে প্রতি ২৫ শে বৈশাখের প্রভাতে সাদা ফুল,লাল কৃষ্নচূড়ায় আর ব্রজেন বাবুর হাতের চিত্রে ফুটে উঠতো কবি প্রনাম।আজ তিনি নেই।সারা বিশ্ব এক মারন ব্যাধীতে আক্রান্ত।চারিদিকে লকডাউন চলছে।কিন্তু তার সাধের আনন্দলোকে বন্ধ হয় নি কবি প্রনাম।আনন্দলোকের পক্ষে দীপঙ্কর চক্রবর্ত্তী জানান শুক্রবার সকাল ৮টায় আনন্দলোক প্রাঙ্গনে প্রতিবছরের মত ৭০ বছর ধরে চলা কবি প্রনাম লকডাউনের সব আইন মেনে খুব অল্প লোক নিয়ে পালন করলাম।উপনিষদের স্তোত্র পাঠের পর,রবীন্দ্র গান,কবিতা,ও তাঁর রচনা থেকে পাঠ হয়।কৃপন কবিতার সাথে নৃত্যও পরিবেশিত হয়।যে কয়জন শ্রোতা ছিলেন তারা দুরত্ব বজায় রেখে,মুখে নাকে মাক্স পরেই ছিলেন।ছোট,অনারম্বর হলেও প্রনাম অনুষ্ঠান হল।একেবারেই বন্ধ হলনা এটাই সকলের মনে আনন্দের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.