সাহিত্য বার্তা

‘নব পরিচয় ‘ প্রকাশ পেল

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,


সাহিত্যপ্রেমী বাঙালি পাঠকের কাছে বড় আকর্ষণ হলো শারদীয় পত্রিকা। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে পত্রিকা পাওয়া গেলেও করোনা আবহে এবছর তার ব্যতিক্রম ঘটে। কোনো কোনো সাহিত্য পরিবার ‘ভার্চুয়ালি’ পত্রিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। তারই মাঝে সুযোগ পেয়ে করোনা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ছোট্ট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গত ২২ শে নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগণার রাজারহাট, রেকজোয়ানী অঞ্চল থেকে পরিচালিত পত্রিকা গোষ্ঠী তাদের শারদ সংখ্যা প্রকাশ করে। স্হানীয় সতীশচন্দ্র পাঠাগারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ও একগুচ্ছ নবীন-প্রবীণ কবির উজ্জ্বল উপস্থিতিতে “নব পরিচয়” পত্রিকার শারদ সংখ্যা এবং একটি কবিতা সংকলন “কবিতারা কথা বলে” প্রকাশিত হয়। শতাধিক কবি-সাহিত্যিকের লেখা অণু গল্প, গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা পত্রিকা দুটির শোভা বৃদ্ধি করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি-সাহিত্যিক সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়, সোমনাথ নাগ সহ পত্রিকা গোষ্ঠীর পরিচালন সমিতির সদস্য ও বেশ কয়েকজন কবি-সাহিত্যিক। উদ্বোধনী সঙ্গীত ও উপস্থিত কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠে জমজমাট অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন পত্রিকার সহ-সম্পাদক তথা কবি কাশীনাথ কর্মকার।
প্রসঙ্গত নবীন সম্পাদক কবি সমরেশ পর্বতের যোগ্য সম্পাদনায় ও কবি মধুসূদন দাসের সহ-সম্পাদনায় ২০১২ সাল থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়ে চলেছে। করোনা পরিস্থিতিতে মুদ্রিত আকারে কবিতা সংকলন ও পত্রিকার শারদীয় সংখ্যা প্রকাশ করার জন্য উপস্থিত সকলে পত্রিকার সম্পাদক ও পত্রিকা গোষ্ঠীর প্রত্যেকের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে কবিতা পাঠের জন্য প্রত্যেক কবিকে শংসাপত্র এবং কাব্য সংকলনে অংশগ্রহণকারী কবিদের শংসাপত্র এবং স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
পরে পত্রিকা সম্পাদক কবি সমরেশ পর্বত বলেন – মূলত নবীন ও প্রবীণ কবি-সাহিত্যিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য তিনি এই পত্রিকা প্রকাশ করে চলেছেন। তবে কবি মধুসূদন দাস, কাশীনাথ দাস ও অমল অধিকারীরা সক্রিয় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দিলে এই পত্রিকা দুটি কোনো দিনই দিনের আলোর মুখ দেখতে পেত না। এছাড়াও তিনি তার বাবা প্রভাত পর্বত ও মা অনিমা পর্বতের প্রেরণার কথা মুক্ত কণ্ঠে স্বীকার করেন। ছেলের কথা বলতে গিয়ে প্রভাত বাবু ও অনিমা দেবীর কণ্ঠ আবেগে কেঁপে ওঠে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *