কবিতা লিখি ও আবৃত্তি শিখি নিয়ে শিয়ালদহে কর্মশালা

ক্রীড়া সংস্কৃতি

কলকাতায় অনুষ্ঠিত হলো এসো কবিতা লিখি ও আবৃত্তি শিখি কর্মশালা।

বাংলা রাইটার্স ফোরাম এর উদ্যোগে মফস্বল বাংলা কবিতা একাডেমী ও লেখালেখি সাহিত্য পত্রিকার ব্যবস্থাপনায় এসো কবিতা লিখি ও আবৃত্তি শিখি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো। শুক্রবার শিয়ালদা সূর্যসেন স্ট্রীটে  কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ভবনে সারাদিনব্যাপী এই কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণা বসু। এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ কবি শৈলেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক ও কবি সুনীল মুখোপাধ্যায় বাচিক শিল্পী পূরবী রায় ও বাচিকশিল্পী শিবাজি চৌধুরি ও কবি শিব শঙ্কর বকশি।
এস কবিতা লিখি ও আবৃত্তি কর্মশালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে বক্তব্য রাখেন রাজ্য সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক শ্যামল রায়। তিনি বলেন যে এই কর্মশালার উদ্দেশ্য হল কবিতার উৎকর্ষতা কিভাবে বাড়ানো যায় তার নানান দিক নিয়ে মতামত বিনিময়ের জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠান। তাৎক্ষণিক কবিতা লেখার প্রতিযোগিতা এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন নদীয়ার কবি হরেন্দ্র নাথ গোস্বামী দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন নানক নাথ তৃতীয় হয়েছেন কবি ঝরনা ভট্টাচার্য। কবিতা আবৃত্তিতে প্রথম হয়েছেন বাচিক শিল্পী রানু রায় দ্বিতীয় হয়েছেন নানক নাথ ,তৃতীয় হয়েছেন সরস্বতী অধিকারী। পুরস্কৃত কবিদের হাতে একটি স্মারক ও একটি শংসাপত্র তুলে দেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণা বসু ও সাংবাদিক শ্যামল রায়।
এই কবিতা উৎসবে শতাধিক কবি সংগীত শিল্পী ও বাচিকশিল্পী উপস্থিত হয়ে পরিবেশন করেন। উপস্থিত কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন হরেন্দ্র নাথ গোস্বামী সরস্বতী অধিকারী লহরী বড়াল চক্রবর্তী চক্রবর্তী আনন্দ মল্লিক সুভাসিশ সর্কার বেবি সুকৃতি দাস লোপামুদ্রা কুন্ডু শ্রাবণী সোম যশ, বিপ্লব ভট্টাচার্য্য লোপামুদ্রা মুখার্জি অনির্বাণ বাগ, মিলন ভৌমিক আলপনা পাল মায়া রায় টিকাদার মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস দীপঙ্কর বিশ্বাস শম্পা ঘটক শম্পা কারার মধুছন্দা গাঙ্গুলি ডাক্তার সুশরমা মৃন্ময় বসু রায়চৌধুরী রাঘব পোড়ে , ববি ব্যানার্জি শিল্পী দাস শিল্পী দাস রাখি চক্রবর্তী গীতিকায় অরিন্দম দাস সনাতন কুন্ডু অচ‍্যুত পরামানিক শিঞ্জিনী বসু সুনিতা মন্ডল সুব্রত সামন্ত  দুলাল সুর কল্যাণী দেবনাথ চন্দনা দে সহ অনেকে।
প্রতিমাসে বাংলা রাইটস ফোরামের উদ্যোগে শুধু বাংলার কবিদের নয় আসাম ত্রিপুরা সহ একাধিক রাজ্যের কবিরাও এই কবিতা উৎসবে উপস্থিত থেকে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করছেন এর ফলে কবিতার উৎকর্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কবিতা উৎসবে কবিদের মতামত আলোচনা হয় এবং কবিরা সমৃদ্ধ হয় বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণা বসু। এসো কবিতা লিখি ও আবৃত্তি শিখি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেন কবিদের জন্য কবি কৃষ্ণা বসু। কবিতা উৎসবে সুন্দর আবৃত্তি করে শোনান বাচিকশিল্পী পূরবী রায় ও শিবাজি চৌধুরি। সভাপতি সুরঞ্জনা চক্রবর্তীর কবিতার মধ্যে দিয়ে কবিতা উৎসবের প্রয়োজনীয়তা এবং নবীন-প্রবীণ কবিদের মেলবন্ধনে ক্ষেত্র স্থান বলে উল্লেখ করেন এছাড়াও সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন এই ধরনের কবিতা উৎসবের প্রয়োজনীয়তা যথেষ্ট রয়েছে এবং নতুন লেখকদের লেখার একটা মাধ্যম খুলে যায় বিভিন্ন সম্পাদকের উপস্থিতিতে। সমগ্র অনুষ্ঠান এর সঞ্চালনায় এবং কৃতজ্ঞতায় ছিলেন এই কবিতা উৎসবের কর্ণধার কবি সাংবাদিক শ্যামল রায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.