কাটোয়া কালনা সড়ক সম্প্রসারণে গাছ কাটার অভিযোগ

প্রশাসন


শ্যামল রায়

মলবৃহস্পতিবার কাটোয়া বনাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানিয়েছেন যে একটি ডেপুটেশন পেয়েছি বিষয়টি অবশ্যই দেখা হবে। তবে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে সেখানে উন্নয়নকে থামিয়ে দেখে অন্য কিছু করা ঠিক নয় বলে মনে হয়েছে। ইতিমধ্যে কাটোয়া থেকে কালনা পর্যন্ত ১২৭টি গাছ কাটার অনুমতি দেয়া হয়েছে।কাটোয়া পাচঘড়ার কাছে ৬৭টি গাছ কাটা হবে । গাছ কাটার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া আরও জানা গিয়েছে যে রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণ করতে গিয়ে গাছ কাটা নতুন কিছু নয় এর আগেও বহু গাছ কাটা হয়েছে কেতুগ্রামের ভুলকুরি থেকে পালিটা পর্যন্ত গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার করতে গিয়ে।এদিন জানা গিয়েছে যে রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ইতিমধ্যে পূর্ত দপ্তর থেকে এক  কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন যে রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য কিছু ছোট বড় দোকানের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু উন্নয়নের দিক থেকে রাস্তা চড়ার খুবই প্রয়োজন আছে কারণ একটি দক্ষিণবঙ্গের সাথে উত্তরবঙ্গের রাস্তার যোগাযোগ রয়েছে। রাস্তা সম্প্রসারণ হলে বহু যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাবেন চালকরা যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে যাবে।
যে রাস্তা নতুন যুগের সূচনা হয়েছে এর ফলে যানবাহনের সংখ্যা যেমন বাড়বে তেমনি যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটে যাবে এই কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। তবে কিছু কিছু দোকান উচ্ছেদ হয়েছে বটে কিন্তু উন্নয়নের জন্য এগুলো করতে হচ্ছে দপ্তরকে তবে বনদপ্তর গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে বলে জানি। রাস্তা সম্প্রসারণে যোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটবে।
কালনা কাটোয়া রোডের সম্প্রসারণের জন্য গাছ কাটার পাশাপাশি বহু ছোট-বড় দোকান ভাঙায় ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকেই।কালনা কাটোয়া রোড সম্প্রসারণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ইতিমধ্যে হেমাত পুর মোড় থেকে নবদ্বীপ রেলগেট পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এছাড়াও সমুদ্রগড় থেকে হেমায়েতপুর এবং শ্রীরামপুর থেকে ছাতনি  পর্যন্ত দ্রুতগতিতে রাস্তা চওড়া করার কাজ চলছে।রাস্তা চওড়া শুরুর কারণে যেমন নামি দামি গাছ কাটা চলছে তেমনি ভাবে ছোট-বড় বহু দোকান উচ্ছেদ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।পারুলিয়া বাজার থেকে ছাতনি  পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য বউ গাছ কাটা চলছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এই সব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জোরালো উঠেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা কমিটি ইতিমধ্যেই কাটোয়া বনাঞ্চল আধিকারিকের কাছে একটি ডেপুটেশন দিয়েছে। ডেপুটেশনে উল্লেখ করা হয়েছে রাস্তা চওড়া করা প্রয়োজন আছে তাই বলে পুরনো বহু নামি দামি গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে এর ফলে পরিবেশ ধ্বংস হতে পারে। অধিকার রক্ষা কমিটির সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী জানিয়েছেন যে উন্নয়নের নামে যদি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে উন্নয়নের কর্মকান্ড সভ্য জগতে চলতে পারে না।রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য বহু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.