পুলিশ নিজেদের পকেট থেকে ৫০০ চালকদের চা খাওয়ালো

পুলিশ

জুলফিকার আলি

পুলিশ রাতের গাড়ী দাঁড় করিয়ে সচারাচর চেকিং এর নামে হাত পাততে দেখা যায়, কিন্তু দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ পকেটের টাকা খরচ করে রাতভর চালকদের সতর্ক সহ গরমাগরম চা,জল পান করানোর কর্মসূচি নিল।আর এমন অভিনব আচরণে বেজায় খুশি বড়দিন উপলক্ষে দিঘা গামী রাতের গাড়ীর চালক থেকে পর্যটক ও যাত্রীরা।

রাতের গাড়ীর চালকদের দাঁড় করিয়ে চালকের চোখেমুখে জল দেওয়ানো সহ চা,জল, পান করাল পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদা থানার ওসি ও আধিকারিকগণ।আগামী কাল 25 ডিসেম্বর, বড়দিন।দিঘা গামী বহু পর্যটক এর গাড়ী,বাস চলছে রাতভর।একে শীতের প্রকোপ তার ওপর ঘণ কুয়াশা।দুর্ঘটনা ইতিমধ্যে চারটি ঘটে গেছে,মৃত্যু হয়েছে দুজনের।দুর্ঘটনা এড়াতে এমন অভিনব উদ্যোগ নিল মারিশদা থানার ওসি অমিতদেব।রাত্রী 9 টা থেকে রাতভর 4 পর্যন্ত ক্যাম্প করে ওসি সহ পুলিশ আধিকারিকরা নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে নিজেদের হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন ঘুম ঘুম চোখের গাড়ীর চালকদের।চালকরা জানাচ্ছেন সাধারণত পুলিশ রাতে গাড়ী দাঁড় করিয়ে চেকিং ও তার নামে হাত পাততে দেখা যায়, কিন্তু গাড়ী দাঁড় করিয়ে সসম্মানে মিনারেল ওয়াটার তার সাথে গরমাগরম চা হাতে ধরিয়ে দেওয়া এটা তাদের কাছে দারুন ব্যাপার।এমন ব্যবস্থায় তাদের তন্দ্রা ধরা ব্যাপারটা যেমন দূর হচ্ছে,উপকৃত হচ্ছেন তাঁরা, তেমনি করে রাতের চালকদের সতর্কতা ও বাড়ছে।সব মিলিয়ে বেজায় খুশি চালক থেকে পর্যটক যাত্রীরা।এদিন দূরপাল্লার পর্যটক দেরও চা জল পান করানো হয়। এই কর্মসূচি শীত ও কুয়াশা যতদিন থাকবে চলতে থাকবে বলে জানান কাঁথি মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। তিনি আরো জানান এমন উদ্যোগ কে কাজে লাগিয়ে নন্দকুমার দিঘা 116 B জাতীয় সড়কের ওপর সমস্ত থানা এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প করে রাতের গাড়ীর চালকদের চা জল পান করাবে,যাতে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে।দিঘা, রামনগর,কাঁথি সহ হেঁড়িয়া পুলিশ আজ থেকে সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফের মধ্যে চা জল দান করবে।কাউকে নো ফাইন,নো হ্যারাসমেন্ট,পুলিশ নিজেরা চাঁদাকরে চা জল পান করাবে রাতের ড্রাইভার দের।মারিশদা থানার পুলিশ প্রথম দিনে প্রায় 500 চালক দের চা পান করায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.