মঙ্গলকোটে ইটভাটা গুলিতে শিশুশ্রমিক?

প্রশাসন


জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি

বিশাল ফ্ল্যাটবাড়ি হোক বা ছোট্ট শৌচাগার নির্মাণ – সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজন ইঁট। বর্তমানে ফ্লাই অ্যাস দিয়ে ইঁট তৈরি হলেও দীর্ঘদিন ধরেই মাটি দিয়ে ইঁট তৈরি করে ভাঁটায় পুড়িয়ে সেগুলো ব্যবহারের উপযুক্ত করা হয়। বর্ষার কারণে বেশ কিছুদিন ভাঁটার কাজ বন্ধ থাকলেও বর্ষা শেষ হতেই বিভিন্ন ভাঁটার কর্ম তৎপরতা বেড়ে যায়। ধীরে ধীরে রাজ্যের বাইরে থেকে শ্রমিকরা ভাঁটায় কাজ করতে চলে আসে। সঙ্গে আসে তাদের বাচ্চারা।
পূর্ব বর্ধমানের নতুনহাট-গুসকরা রোডের উপর আছে একাধিক ভাঁটা। সেইসব ভাঁটাগুলোতেও ইঁট তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রায় প্রত্যেকটি ভাঁটাতে শিশু শ্রমিকদের ইঁট বহন করতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোনো এক ইঁট ভাঁটার জনৈক শ্রমিক বলল- বাবু আমরা গরীব মানুষ। ভাঁটায় কাজ করে সংসার চলে। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চলে আসি। তাই বাচ্চাদের নিয়ে আসতে বাধ্য হই। মন না চাইলেও ওরাও ইঁট বহন করে দুটো পয়সা পায়। ওদের স্কুল পাঠাতে আমাদেরও মন চাই। কিন্তু কি আর করব বাবু।

Leave a Reply

Your email address will not be published.