বহুচর্চিত সন্ন্যাসী গণধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস রায়দান কলকাতা হাইকোর্টের

পুলিশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন


শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে রানাঘাটে সন্ন্যাসী গণধর্ষণ মামলার ক্রিমিনাল আপিলের রায়দান  ঘটলো। তাতে ডিভিশন বেঞ্চ তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির চার্জশিট সহ অন্যান্য রিপোর্ট গুলি পর্যবেক্ষণ করে অভিযুক্ত  গোপাল সর্দার কে বেকসুর খালাস রায়দান দিল। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে নভেম্বর মাসে কলকাতার সিটি সেশন কোর্টে রানাঘাটে সন্ন্যাসী গণধর্ষণ মামলায় রায়দানে ৬ জন আসামির মধ্যে মূল আসামি নজরুল সেখের ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং বাকি ৫ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। আসামিদের ৬ জনের মধ্যে ৫ জনই বাংলাদেশের নাগরিক। একমাত্র ভারতীয় হিসাবে ছিলেন উত্তর ২৪ পরগণার গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা গোপাল সর্দার। তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি তদন্ত রিপোর্টে অভিযোগ তুলেছিল এই গোপাল সর্দারের বাড়ীতেই আসামিরা এই মামলার ব্লুপ্রিন্ট করেছিল। তবে সেটার প্রতিস্টার ক্ষেত্রে সিআইডি   উপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণ দেখাতে পারেনি বলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।২০১৫ সালে মার্চ মাসে রানাঘাটে ৭২ বছর বয়স্কা এক সন্ন্যাসীনির উপর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠে। রাজ্য রাজনীতি তোলপার হয়ে উঠে। রাজ্য সরকার জেলা পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার দেয় সিআইডির হাতে।কলকাতার সিটি সেশন কোর্টে মামলার রায়দানে ৬ জন আসামিদের মধ্যে ৫ জনের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং মূল আসামির ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড রায়দান দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল আপিল রাখে দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গোপাল সর্দার এর আইনজীবী। আজ অর্থাৎ শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে সিআইডির তদন্ত রিপোর্টে ব্যাপক গড়মিলের জন্য আসামি গোপাল সর্দার কে বেকসুর খালাস রায়দান দিল। অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে যেসব তথ্য ও প্রমাণ, সাক্ষ্যের দরকার সেগুলি এই মামলায় ঠিকঠাক তদন্ত করতে পারেনি বলে ডিভিশন বেঞ্চের  পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।                                                                                                                                 

Leave a Reply

Your email address will not be published.