ফেসবুকে প্রেম, অষ্টমীর প্রথম দর্শনেই দুটি মন এক হলো

ভিডিও

প্রবীর বসু

 

 ফেসবুকে আলাপ তাও মাস দুয়েকের।অষ্টমীতেই প্রথম সামনাসামনি দেখা।বিয়ের প্রস্তাব পাত্রের,রাজি পাত্রি।দুর্গা মন্ডপেই ডাক বাজিয়ে বিয়ে।প্রথমটায় অপ্রস্তুত হলেও পরে বৌমাকে বরন করে ঘরে তোলেন শ্বশুড় বাড়ির লোক।
হিন্দমোটরের সুদীপ ঘোষালের সঙ্গে এভাবেই প্রথম দেখাতে বিয়ে হয়ে গেলো শেওড়াফুলির
প্রীতমা ব্যানার্জীর।দুজনের
ফেসবুকে পরিচয় জুলাই মাসে।ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কথা অথবা হোয়াটসঅ্যাপ এ কথা হতো।মাঝে মধ্যে ভিডিও কলও হতো।তবে সামনাসামনি দেখা হয়নি কোনো দিন। অষ্টমীর দিন কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে গিয়ে দ্যাখা দুজনের।সেখানেই বিয়ের প্রস্তাব দেন সুদীপ,রাজি হয়ে যান প্রীতমা।কিন্তু বিয়ে যে তখনই হবে এমনটা ভাবেননি তারা।বন্ধুরাই বলে তাহলে আজই হয়ে যাক মা দুর্গাকে স্বাক্ষী রেখে।যেমন বলা তেমন কাজ।কলকাতায় প্যান্ডেল হপিং ক্যানসেল করে সোজা হিন্দমোটর ফিরে আসেন তারা।কোনো পুরোহিত ছাড়া পাড়ার দুর্গা পুজো মণ্ডপে মা দুর্গার সামনে ঢাক বাজিয়ে চার হাত এক হয়।তারপর বাজনা বাজিয়েই রীতিমতো প্রসেশান করে বর বৌকে বাড়ি পৌঁছে দেন বন্ধুরাই।হঠাৎ বিয়েতে সামিল হন এলাকার বাসিন্দারা।পাত্র পাত্রীর বিয়ে দিতে কত বিজ্ঞাপন,ম্যাট্রিমনি সাইট রয়েছে।সুদীপ আর প্রীতমা অবশ্য দেখিয়ে দিলো ফেসবুকও কম যায় না।।।।

Leave a Reply

Your email address will not be published.