অভাবের সংসারে ছেলে দামী জামাপ্যান্ট চেয়েছিল,তাতেই পুত্র খুনে উদ্যোগী হয় মা!

পুলিশ

জুলফিকার আলি

ছেলেকে খেতে না দিয়ে ঘরের মধ্যে আটকে রাখার পর অবশেষে গলার নলি কেটে খুনের চেষ্টা নিজের মা। মায়ের সাথে ধস্তাধস্তি তে হাত পা কেটে রক্ত ঝরছে তখন।বাচ্চাটির এমন অবস্থা দেখে হইচই পড়ে যায় থানার ওসি থেকে সব পুলিশের মধ্যে।আসলে বাচ্চাটি বুঝেছিল প্রাণে বাঁচার একটাই উপায় পুলিশের কাছে পৌঁছাতে হবে।তাই সে পৌছেছে বলে জানায়। জানাগেছে পূজোয় ভালো জামা প্যান্ট কিনতে চেয়ে মা এর কাছে বায়না ধরেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদা থানা এলাকার রানিয়া গ্রামের সুশোভন সামন্ত।সপ্তম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র সুশোভন ।বাবা গদাধর সামন্ত কর্মসূত্রে রাজমিস্ত্রির কাজে দীর্ঘ দিন ধরে কেরলে থাকেন।পূজোর কটা দিন আগে বাবা কিছু টাকা একাউন্টে পাঠান জামা কাপড় কেনা সহ পূজোর খরচ খরচার জন্য ।ফোনে সে কথা বাবা এক মাত্র ছেলেকে জানিয়েছিল।এরপর মা কে জামা প্যান্ট কিনে দিতে বললে কম দামের জামা প্যান্ট কিনে দেয় মা।তাতে ছেলে অখুশি হয়।ভালো একটা জামা প্যান্ট এর সেট কিনে দেওয়ার বায়না ধরে ।মা পাপিয়া তা রাজি হয়নি।কারণ বিড়ি বাধার কাজ সহ সংসারে কিছুদেনা ছিল।সেসব শোধ দিতে হবে ,তাই ভালো কিছু কিনে দিতে পারবেনা।কিন্তু বাচ্চাটি মা কে আড়াল করে মামার সাথে যোগাযোগ করে অনলাইনে জামা কেনার জন্য এটি এমের কার্ড ও সিসিভি নং বলে দেয়। পুরো পুজো কেটে যায়, বাড়ীর কোনে থাকা খানিকটা চাল ও মুড়ি মায়ের অজান্তে ছিল তা খেয়েছিল ছেলে ,তাতেও আরো রেগে মারধর করেছিল বলে অভিযোগ। পিসির বাড়ীতে দুমুঠো ভাত খেয়ে ছিল সুশোভন।তারপর বাড়ী ফিরলে উগ্রচণ্ডা রূপ ধরণ করে মা, আয়নার কাঁচ ভেঙে গলার নলি কেটে খুনের করতে যায় মা পাপিয়া।বাচ্চাটি মায়ের হাতটি ধরে ফেলে চেঁচাতে থাকে।প্রতিবেশীরা ছুটে আসে,কোনরকমে ছিটকে দৌড় দেয় থানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.