সংবাদ প্রকাশের জের, ভবঘুরে পেল তার বাড়ীর ঠিকানা

পুলিশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন


প্রায় দু মাস কলকাতার বাগমারী কবরস্থান এলাকায় অর্ধনগ্নভাবে ঘুরাঘুরি করতো বছর পঁচিশের এক যুবক। কবরস্থানের সামনে এক প্রতীক্ষালয়ে অনাহারে দিনরাত কাটাতো সে। কেউ কেউ এহেন মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক কে বাঁশের লাঠি নিয়ে তেড়েও আসত। এই সংবাদটি গত ২৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক স্টেটসম্যান কাগজে গুরত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়।  আর এতেই নড়েচড়ে বসে সমাজসেবী সংগঠনের কেউ কেউ। বাগমারী কবরস্থান এলাকার এক সমাজসেবী বিষয়টি লালবাজারে ফোনে জানায়। লালবাজার থেকে নির্দেশ আসে সংশ্লিষ্ট থানা অর্থাৎ মানিকতলা থানায়। গত চতুর্থীর রাতে মানিকতলা থানার পুলিশ আসে। যুবকটির সাথে কথা বলে জানতে পারে – যুবকটির বাড়ি বারাসাতের কাঁজিপাড়ায়।এরপরে খবর দেওয়া হয় ওই পরিবারে। সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন ওই রাতেই নিয়ে যায় তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান কে। জানা গেছে, এই যুবকটি শিক্ষিত । প্রায় ৩ মাস পূর্বে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় পড়ে। একদিন বারাসাত থেকে শিয়ালদহগামী ট্রেনে চেপে বিধাননগর স্টেশনে পৌছায়। তারপর দুমাস ধরে বাগমারী কবরস্থান এলাকায় থাকতে শুরু করে। কথাবার্তা বলতো কারও সাথে, খেতেও না সে। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে দৈনিক স্টেটসম্যান কাগজ অত্যন্ত গুরত্ব সহকারে এই সামাজিক নিউজ টি প্রকাশিত করে। আর এতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ । মানিকতলা থানার পুলিশের সহযোগিতায় এই যুবক নিজ ঘিরে ফিরে। পরিবার সুত্রে প্রকাশ, মানসিক চিকিৎসা চলছিল, হঠাৎই বেপাত্তা হয় সে। আবার কড়া নজরদারিতে চলবে চিকিৎসা। 

ছবি – এইভাবেই কাটতো দিনরাত                                                                        

Leave a Reply

Your email address will not be published.