রাত দশটার পর গুসকারায় বিদ্যুৎ অনিয়মিত

প্রশাসন

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


আধুনিক যুগে অন্যতম নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু হলো বিদ্যুৎ। উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ এসে পৌঁছায় ‘পাওয়ার হাউস’ এ। তারপর সেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় গ্রাহকদের বাড়িতে। গ্রাহক যাতে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে এই বিদ্যুৎ পায় তার জন্য সদাসতর্ক থাকে একদল কর্মী।
রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের অধীন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা ‘পাওয়ার হাউস’ তার ব্যতিক্রম নয়।এখান থেকে মঙ্গলকোট ও আউসগ্রাম ব্লকের এক বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ পেয়ে থাকে। গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুৎ দেবার জন্য রোদ-জল সহ সমস্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয় মাথায় নিয়ে একদল কর্মী দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছে।তাদের কর্মদক্ষতা যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে।কোনো সরবরাহ লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা করে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে তৎপর হয় ।কিন্তু বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে এদের কাজের সময় সকাল ৬ টা থেকে রাত্রি ১০ টা পর্যন্ত।এই সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তারা প্রস্তুত থাকে। কিন্তু সমস্যা রাত্রি ১০ টার পর দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে বিদ্যুৎ বিহীন থাকতে হয়। প্রচণ্ড গরমে কষ্ট পায় এলাকার মানুষ। অথচ ঐ সময় কোনো ‘টিম’ লাইনে কাজ করার সুযোগ পেলে হয়তো এই সমস্যা থাকত না। গ্রাহকরাও বিদ্যুৎ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হতো না।অনেক গ্রাহকের বক্তব্য – এই মুহূর্তে বাংলায় বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নাই। গুসকরার স্হানীয় এলাকার সরবরাহ লাইনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য রাত্রি ১০ টার পর যদি ‘টিম’ রাখা যায় তাহলে অন্য ‘ফিডারের’ জন্য ‘টিম’ রাখতে সমস্যা কোথায়? তাদের আবেদন অন্য লাইনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য রাত্রি ১০ টার পর যেন ‘টিম’ রাখা হয়।
এবিষয়ে গুসকরা ‘পাওয়ার হাউস’ এর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারার জন্য তার মতামত জানা যায়নি

Leave a Reply

Your email address will not be published.