ঢাকার পুজো চলে পূর্বস্থলীতে

ক্রীড়া সংস্কৃতি

ওপার বাংলার দূর্গা এবাংলায়ও পূজিত হচ্ছেন

দীপঙ্কর চক্রবর্তী



সেই দেশ ভাগের আগে থেকেই বাংলাদেশের ঢাকা বিক্রমপুরে বারোজিবী সম্প্রদায়ের মানুষরা একত্রিত হয়ে নবমীর দিন একটি ঘট স্হাপন করে দেবী দূর্গাকে পুজো করতেন। পরে ষাটের দশকে এদেশে চলে আসার পর পূর্বস্হলীর জাহান্নগর পন্চায়েতের গোলাহাট গ্রামে বসতি স্হাপন করেন গনেশ চন্দ্র দাস মহাশয়।গোলাহাটে একটি অনারম্বর ভাবে দূর্গা পুজো হত।সেই পুজো অর্থাভাবে বন্ধ হবার উপক্রম হলে গনেশ বাবু এগিয়ে এসে গ্রামবাসীদের প্রস্তাব দেন এই পুজোটি আমি আমার বাড়িতে শুরু করতে পারি।সেই ১৯৭১ সাল থেকে এবছর পর্যন্ত এই দাস বাড়িতে ৫০ বছর যাবৎ দেবী দূর্গা পূজিতা হয়ে আসছেন।
বর্তমানে গনেশ বাবু প্রয়াত হয়েছেন।তার পুত্র মনিন্দ্র দাস,শচীন,জয়দেব,পল্টুরা জানালেন গোলাহাট,তেলিনিওোড়া,পারুলিয়া সহ আশপাশের ১০/১২ টি গ্রামের মানুষ এই পুজো দেখতে আসেন।বর্তমানে এই গ্রামে আরো একটি পুজো হলেও দাস বাড়ির পুজোয় মানিষের উৎসাহের ঢল নামে।অষ্টমীও নবমীতে দেবীকে ভোগ দেওয়া হয়।এক চালা বিশিষ্ট মাটির ও সোলার প্রতিমা সজ্জিত হন।পরিবারের ছেলে মেয়ে সব আত্মীয় স্বজন থেকে এলাকা বাসী এই পুজোয় পাচদিন আনদে মেতে থাকে,হয় আরতি,ধূনুচী নাচ,আরতি সব কিছুই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.