মেদনীপুর শহরে একগুচ্ছ বই উদঘাটন

ক্রীড়া সংস্কৃতি

জুলফিকার আলি

উৎসব সংখ্যা প্রকাশ করেন অচিন্ত মারিক, লেখকের পাঠক সত্তা বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেন সুভাষ জানা।

শনিবার মহালয়ার সন্ধেতে জ্বলদর্চির শারদ উৎসব উপলক্ষে মেদিনীপুর শহরের লোকনাথ পল্লিতে হল সাহিত্য আড্ডা। গান স্মৃতিচারণের পাশাপাশি জ্বলদর্চির পক্ষ থেকে শারদ সম্মান জ্ঞাপন করা হয় বিশিষ্ট লেখিকা সুমিত্রা ঘোষকে। এদিন প্রকাশ পায় সুভাষ জানার বিদ্যাসাগর নিয়ে গ্রন্থ ‘ঈশ্বরহীন ঈশ্বর ‘ এবং সুমিত্রা ঘোষের ‘রত্নগর্ভা মা’ নামে একটি বই। প্রকাশ পেল জ্বলদর্চি থেকে একসঙ্গে দুটি সংখ্যা। ‘উৎসব সংখ্যা’ এবং ‘লেখকের পাঠক সত্তা ‘ নামে বিশেষ সংখ্যা।
উৎসব সংখ্যায় রয়েছে বীরেন্দ্রনাথ রক্ষিতের অপ্রকাশিত চিঠি, তরুণ সান্যালের অপ্রকাশিত কবিতা। বিশেষ গদ্য লিখেছেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শতরূপা সান্যাল। আর আছে গুচ্ছ কবিতা, ফোটোগ্রাফি, গল্প, প্রবন্ধ। ‘বিদ্যাসাগরের মাস্টারমশাই’ নিয়ে আলোচনা করেছেন অরুনাভ প্রহরাজ।প্রতিবছরই একটি করে সংরক্ষণযোগ্য বিশেষ
সংখ্যা প্রকাশ করে জ্বলদর্চি। এবারের বিষয় ‘লেখকের পাঠক সত্তা’। যিনি লেখক, তিনি পাঠকও তো বটে! কোন কোন বই পাঠ ও পুনঃপাঠে লেখক হয়ে ওঠেন সমৃদ্ধ–সে কথা জানিয়েছেন স্বয়ং লেখকেরাই। এ সময়ের স্বনামখ্যাত লেখক যেমন বুদ্ধদেব গুহ, সমরেশ মজুমদার, পবিত্র সরকার, নবনীতা দেবসেন,শ্যামলকান্তি দাশ, অনিতা অগ্নিহোত্রী, বাণী বসু, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, সুবোধ সরকার, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়, সুধীর দত্ত, প্রচেত গুপ্ত, স্মরণজিৎ চক্রবর্তী, সুবর্ণ বসু প্রমুখ মোট ৫৫ জন জানিয়েছেন তাঁদের পাঠ অভিজ্ঞতা। আর আছে শুভাপ্রসন্ন, যোগেন চৌধুরী, অনুপ রায়, রবীন দত্ত প্রমুখের চিত্র। শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাসহ মোহিতলাল মজুমদারের ‘বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস’ যা আজ দুষ্পাপ্য তা পুনর্মুদ্রিত হয়েছে এই সংখ্যায়।
সম্পাদক ঋত্বিক ত্রিপাঠীর কথায়, ” বিশেষ বিষয় নির্ভর সংরক্ষণযোগ্য সংখ্যা প্রকাশ করা খুবই পরিশ্রমের। কারণ বিষয় নির্দিষ্ট করে দিলে সঠিক সময়ে লেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। একান্ত ভালোবাসার টানেই কাজ করে যাওয়া। “

Leave a Reply

Your email address will not be published.