সল্টেলেকের গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের মহোৎসব মহাভোজ

ক্রীড়া সংস্কৃতি

সল্টলেকের গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলে মহোৎসবের মহাভোজ

গোপাল দেবনাথ

সাধক রামপ্রসাদ অধ্বাত্বিক দৃষ্টিতে বলেছিলেন ,আমার স্বাদ না মিটিল ,আশা না পূরিল,সকলই ফুরায়ে যায় মা ,আজ কিন্তু পার্থিব দৃষ্টিতে তে সাধ মিটিয়ে আশা পূরণে কোনো সমস্যা নেই .পুজোর কদিন ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পেটপূজোর জন্য সোজা চলে আসুন সল্টলেকের গোল্ডেন টিউলিপে.বিলাসবহুল মনোমুগ্ধকর পরিবেশে এখানকার পরিষেবা দিতে হাজির এখানকার নারী -পুরুষ কর্মীরা .নিরামিষ আমিষ খাবারের বিপুল আয়োজন .সাবেকি বালি ব্যুফে তো আছেই.তাও আবার পাঁচ দিনে পাঁচ রকম .থাকছে ফিউসন ফুড.চাইনিজও আছে .মিষ্টিও হরেক রকম.থাকছে আম পান্না,গন্ধরাজ ঘোল -এর স্বাগতম পানীয়.তাছাড়া থাকছে আলাদা চমক .শেফ এর কড়াই থেকে আসবে এক অজানা লোভনীয় খাবার .পাঁচ থেকে আট অক্টোবর দুপুরে লাঞ্চ শুরু বারোটায় .ডিনার চলবে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত .
রসনার বাসনা পূরণে খাদ্য তালিকায় কি নেই ?,নারকেল পোস্তর বড়া থেকে কুঁচো মাছ ,মুর্শিদাবাদী ভুনা মাংস , বাঁশে ভাপা মাংস পোলাউ ,পদ্মপাতায় মুরগি ভাপা ,তো থাকছেই ,বিশেষ পদ থাকছে কাঁকড়ার রসা,ভাপা,টক আর কাঁকড়া -কুঁচো চিংড়ির টেংগা,
ইলিশ চিংড়ির কথা নাই বা বললাম .খরচ?,মাত্র জনপ্রতি ন’,শো নিরানব্বই টাকা .অর্থাৎমাত্র হাজার টাকায় রসনা তৃপ্তির এমন সুযোগ হাতছাড়া করা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয় .স্বপরিবারে একবার এলে বার বার আসতে ইচ্ছে করবে .আরএকটা কথা ,দল বেঁধে এলে মানে দশজনের বেশি এলে থাকবে বিশেষ ছাড়.
যাঁরা নিরামিষাশী তাঁদের
জন্যও থাকছে হাজারও পদ .আপনি কি রসে বশে উৎসবকে উপভোগ করতে চান ?,থাকছে সেটার সঙ্গে টুকটাক স্নাক্স .ফিশ কবিরাজি ,চিংড়ি কাটলেট ,মাংসের চপ আরও অনেককিছু .মিষ্টিপ্রেমীদের জন্য থাকছে ছানার জারিজুরি ,দরবেশ ,কাঁচাগোল্লা ,কমলাভোগ ,লাংচা ,কালোজাম ,সন্দেশ,ছানার পাটিসাপ্টা .

Leave a Reply

Your email address will not be published.