গুসকারায় একটু অন্যরকম শিক্ষক কে সম্মান

প্রশাসন

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি


‘শিক্ষক দিবস’ এ অভিনব ভাবে শিক্ষকদের সম্মান জানাল গুসকরা শহর তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে গুসকরা শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কুশল মুখার্জ্জীর নেতৃত্বে স্হানীয় প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা গৌতম দাস, পূর্ব বর্ধমানের TMCP এর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গণেশ পাঁজা, গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ মণ্ডল সহ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুসকরা পৌরসভার অন্তর্গত সমস্ত শিক্ষক – শিক্ষিকার বাড়িতে যায়। পুষ্প স্তবক ও মিষ্টি দিয়ে তাঁদের সম্বর্ধনা জানান হয়। বর্তমান শিক্ষক – শিক্ষিকাদের খোঁজ অনেকেই রাখলেও বয়সের ভারে ন্যুব্জ প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের খোঁজ কেউই রাখেনা। অথচ স্মৃতির অন্তরালে চলে যাওয়া মানুষ গড়ার কারিগর এইসব শ্রদ্ধেয় শিক্ষক- শিক্ষিকারা ছিলেন গুসকরা ও তার আশেপাশের এলাকার গর্ব।অনেকের পরিচিতি জেলার বাইরেও ছড়িয়ে গেছে।বর্তমানের সঙ্গে এই সমস্ত প্রাক্তনীদের শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করল গুসকরা শহর তৃণমূল কংগ্রেস। কুশল বাবু জানালেন – গুসকরা এবং তার আশেপাশের এলাকার অধিকাংশ কৃতি ছাত্র – ছাত্রী এঁদের হাতেই তৈরী। ইনাদের আশীর্বাদ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। তার ইচ্ছে আছে গুসকরার বুকে গণ সম্বর্ধনার মাধ্যমে এই স্বনামধন্য মানুষগুলির কৃতিত্ব বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি গণেশ ও প্রতাপ চোখের সামনে এইসব জীবন্ত কিংবদন্তীদের দেখে আপ্লুত। তাদের ভাষায় যেন মহা তীর্থস্থানে এলাম।
বহুদিন আগে কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়া ড: বলরাম বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবপ্রসাদ রায়, মালতী কোনার, রবীন গুপ্ত, গদাধর ঘোষ প্রমুখরা স্নেহের ছাত্রদের চোখের সামনে দেখতে পেয়ে বিহ্বল হয়ে ওঠেন।এই বয়সে পুনরায় সম্বর্ধনা পেয়ে বলরাম বাবু বলে ওঠেন – জীবনে অনেক সম্বর্ধনা পেয়েছি, কিন্তু আজ যে সম্মান পেলাম তা কোনোদিনই ভুলব না। একই প্রতিক্রিয়া অন্যান্যদেরও।
অন্যদিকে একটি বালিকা বিদ্যালয়ের জনপ্রিয় শিক্ষাকর্মী এবং বিদ্যালয় অন্ত প্রাণ প্রবীণ গৌতম দাস উদাস কণ্ঠে বললেন – এই ক্ষণজন্মা মহামানুষদের কাছে গিয়ে জীবন ধন্য হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.