দিদি কে বলো কর্মসূচিতে বিজেপি নেতার বাড়িতে খেলেন তৃনমূল সাংসদ

রাজনীতি

মথুরাপুরের সাংসদ চৌধুরী মোহন জাতুয়া বিজেপি নেতার বাড়িতে দুপুরের আহার সারলেন।

সৃজনশীল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

একেই বলে দলের নির্দেশ, অমান্য করেন কিভাবে! তাও আবার তৃণমূল সুপ্রিমো দিদির নির্দেশ। সেই নির্দেশ মেনে মথরাপুর এর সংসদ চৌধুরী মোহন জাতুয়া দিদিকে বলো জনসংযোগের অনুষ্ঠানে বিজেপির দল নেতার বাড়িতে দুপুরে আহার সারলেন,এবং রেলরাস্হা নিয়ে কেন্দ্রের বঞ্চনার কথা বিজেপি দলনেতার শোনালেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দিদিকে বলো জনসংযোগের জন্য মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রে সাংসদ চৌধুরী মোহন জাতুয়া দিদির নির্দেশ মেনে দিদিকে বলো কর্মসূচিতে দলের নির্ধারিত পাঁচ জন ব্যক্তির বাড়িতে আজ ঘুরলেন। মথরাপুর ২ নম্বর ব্লকের রায়দিঘি থানার দাসপাড়ার বিজেপির অঞ্চল প্রমূখ তপন কপাটের বাড়িতে দুপুরের আহার সারলেন। তপন কপাট তার বক্তব্যের মধ্যে রায়দিঘি থেকে মথুরা পুর পর্যন্ত সড়ক গাড়ি চলাচলের অযোগ্য, কেন সারানো হচ্ছে না, রায়দিঘি হাসপাতালের বেহাল দশা, রাস্তার উপরে ইট, বালি ফেলে ব্যবসা, বিশেষ করে রায়দিঘী ব্রিজ যেকোনো মুহূর্তেই ভেঙে পড়ার উপক্রম তার প্রতিকার, এবং প্রস্তাবিত রায়দিঘি পর্যন্ত রেল লাইনের কত দূর এগলো। সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার আমাদের বাংলা বারবার লোকসভা তে রেল লাইনের কথা বলা সত্ত্বেও কেন্দ্র মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে আগামী দিনে আবার লোকসভা তে তিনি রায়দিঘি রেল লাইনের কথা তুলবেন। এমনকি তিনি রেলমন্ত্রীকে তিনবার চিঠিও দিয়েছেন বিগত রেলমন্ত্রী তার কথা কর্ণপাত করেননি এখন নতুন রেলমন্ত্রী এসেছেন তার কাছে অবশ্যই এই প্রস্তাব রাখবেন বলে জানান। তিনি বলেন রাস্তাঘাট ইতিমধ্যে সারানোর কাজ শুরু হয়েছে। ব্রিজের জন্য প্রস্তাবিত টাকা কিছুদিনের মধ্যেই পাস হয়ে যাবে এবং কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। কিন্তু বিরোধী দলের কথার ঠিকমতো উত্তর দিয়ে পার হয়ে গেলেও, মথুরাপুর ব্লকের দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সাংসদকে ভাবাচ্ছে তা সহজেই বোঝা যাচ্ছিল। মথুরাপুরের সাংসদ জাতুয়া এলাকায় এলেন, কিন্তু ব্লক এর দুই একজন নেতা ছাড়া কাউকে চোখে পড়লো না। আগামী দিনে রায়দিঘি বিধানসভা যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উপর নেতৃত্ব দের ভাবাচ্ছে সেটা আবার আজকের লোক সংখ্যা দেখে প্রমাণ হয়ে গেল। দিদি বলো অনুষ্ঠানে বিধায়ক দেবশ্রী রায় কেন এলাকাতে নেই সে প্রশ্নের উত্তরে ও জাতুয়া সাহেব এড়িয়ে যান। নামমাত্র সমর্থন নিয়ে জনসংযোগ যাত্রা শুরু করলেও দুপুরের আহার যে সি এম সাহেবের পছন্দসই ছিল তা বোঝা গেল মুখের হাসি দেখে। দুপুরের আহারে ছিল ডাল, মাগুর মাছের ঝোল, আলু ভাজা, উচ্ছে ভাজা, আলু পোস্ত, খাওয়ার শেষে কোলড্রিংস টাও বাদ যায়নি, খাবার পর দুপুরে বিশ্রাম করেন তপন কপাটের বাড়িতে। এরপর প্রস্তাবিত আরো চারটি বাড়িতে যান এবং সবাই এর সঙ্গে উন্নয়ন নিয়ে কথাবার্তা বলেন তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন। আজ এলাকাতে নির্ধারিত বাড়িতে রাত্রিযাপন করবেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.