একদল আইনজীবীর হাতে রক্তাক্ত ‘আদর্শ তিতুমীর’ পত্রিকার সম্পাদক

পুলিশ

জুলফিকার আলি,

আইনজীবীর তকমা লাগিয়ে
প্রতারনার জাল ফাঁসে
রক্তাক্ত সাংবাদিক বারাকপুর র্কোট চত্বরে!!

ধৃতরাষ্ট্র দত্ত, বৃতিসুন্দর রায়, রঞ্জন নিয়োগী, মিন্টু চক্রবর্ত্তীঃ ফের রাজ্যে সাংবাদিক রক্তাক্ত হলেন। তবে এবার সাংবাদিকরা রক্তাক্ত হলেন আইনের মন্দির আদালত চত্বরেই। সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করলেন আইনজীবীর তকমা লাগানো মুহুরী থেকে আইনজীবীতে উত্তরোন হওয়া আইনজীবীর নেতৃত্বে গুটি কয়েক আইনজীবী। প্রকৃত আইনজীবীরাঅ চেষ্টা করেও সাংবাদিকদের রক্ষা করতে পারলেন না। ঘটনাস্থল বারাকপুর আদালত চত্বর। রীতিমত তান্ডাব চালালেন আইনজীবী রুপী গুন্ডারা। কি কারনে সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে পিটিয়ে মারার চেষ্টা করলেন আইনজীবী রুপী গুন্ডারা ? কারন আইনজীবীর তকমা লাগিয়ে প্রতারনার জাল বিছিয়ে নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সর্বশান্ত করছিলেন এক আইনজীবী ও তার দোসর, আইনজীবী না হয়ে আইনজীবী পরিচয় দেওয়া কাল পোশাক পরা এক ভুয়ো মহিলা আইনজীবী। আইনজীবীদের কলঙ্ক সোমনাথ গাঙ্গুলী ও তার দোসর তিতলি সরকারের কীর্তি ফাঁস হওয়াতেই ক্ষেপে লাল হয়ে যান মুহুরী থেকে আইনজীবীতে উত্তোরন হওয়া টিটাগড়ের বাসিন্দা রাজু সাউ ও কাঁকিনাড়ার বাসিন্দা আইনজীবী সিকান্দার আনসারী। আইনজীবীর তকমা লাগিয়ে প্রতারনার জাল ফাঁসেই রক্তাক্ত হলেন আদর্শ তিতুমীর পত্রিকা গ্রুপের সম্পাদক সাংবাদিক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত, বৃৃতিসুন্দর রায়।
দেশ – রাজ্য ও বারাকপুর আদালতের প্রনম্য আইনজীবী ও আদালতের বিচারক মন্ডলী এবং বিভিন্ন আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের কাছে কয়েকটি তথ্য তুলে ধরছি। যে তথ্যগুলি আপনারা নিজেরা পড়ুন এবং বিচার করুন, এদের কি আইনজীবী বলবেন না আইনজীবীর তকমা লাগান দেহব্যবসার দালাল বলবেন ? বারাকপুর আদালতের সম্মানীয় অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিষ্ট্রেট ও কলকাতা উচ্চ ন্যায়ালয়ের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষন করছি ও উচ্চ পর্য্যায়ের তদন্ত দাবী করছি। তদন্তে আমাদের মানে সাংবাদিকদের কোনও ত্রুটি খুঁজে পেলে আইনের বিচারে আমাদের মানে সাংবাদিক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত, বৃতিসুন্দর রায়, মিন্টু চক্রবর্ত্তীকে যে শাস্তি দেবেন আমরা তা মাথা পেতে নেব। এমনকি আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমরা ওই রায়ের বিপক্ষে কোনও আদালতে মুক্তির জন্য আবেদন জানাবো না। আর যদি তথ্য প্রমানে সাব্যস্ত হয়, আইনজীবীর তকমা লাগিয়ে সোমনাথ গাঙ্গুলী , তিতলি সরকার ও তাঁর দলবলের থানায় থানায় মিথ্যা মামলা করে লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগার করছেন। তার থেকেও বড় কথা নিরীহ লোকেদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সর্বশান্ত করছেন। তাহলেও কি আইনজীবীর তকমা লাগানো বলে আইনএর বিচারে তাঁদের কোনও শাস্তি হবে না ? কেন আইনজীবী বলে কি তাঁরা আইনের উর্দ্ধে ? এই প্রতিবেদনে চারটি মামলার কথা উল্ল্যেখ করবো । বাকি গুলি পরের কিস্তিতে যে মামলা গুলি করা হয়েছিল বারাকপুর আদালতের আওতাধীন নিউব্যারাকপুর থানা , এয়ারর্পোট থানা এবং হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের জগছা থানার ২টি মামলা যে থানাটি হাওড়া আদালতের অন্তগর্ত।

মামলা ১ঃ এয়ার পোর্ট থানা এফ আই আর নম্বর ১৫১।১৮ তারিখ ০৯।০৭।১৮ ধারা দেওয়া হয়েছে ৩৭৬।৫১১ মামলাটি করেছেন শ্রীমতি মনিকা দে (নন্দী) স্বামী পাপাই নন্দী । মামলাকারীর ঠিকানা – ঘোলা সি ব্লক পো: সোদপুর্, থানা ঘোলা। মামলাটি করা হয়েছে আসামের বাসিন্দা বিজিত রাজ কাওয়া নামে জনৈক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে॥ এফ আই আর লেখকের নাম অনিমেষ মিস্ত্রি, ঠিকানা ঘোলা, সুকান্তপল্লী, থানা ঘোলা। মামলার বিষয় ধর্ষনের চেষ্টার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের।
ওই এফ আই আরের মূল কথা হল মনিকা দে (নন্দী) ২০১৮র ৯জুলাই দুপুর ১টা৩০ মিনিট নাগাদ নিউব্যারাকপুর বিটি কলেজের সামনে ব্যক্তিগত কাজ সেরে এয়ারপোর্টের ৩৪ ইন হোটেলে খেতে যান্। সেখানে আসামের ব্যবসায়ী বিজিত রাঅজ কাওয়ার সঙ্গে আলাঅপ হয়্। আলাঅপ থেকে মনিকা দেবী জানতে পারেন বিজিত অবিবাহিত । এরপ্রে বিজিত মদ্যপান করেন্। মনিকা দেকেও মদ খাওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি মদ খাননি। এরপ্রে ওই ব্যবসায়ী একটি গাড়িতে মনিকা দে কে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার নাম ক্রে গাড়িতে এসি চালিয়ে কাচ বন্ধ করে। মনিকা দেবীর গোপনাঙ্গে আঙুল ঢুকিয়ে দেয়্। এরপর মনিকা দেবী গাড়ির জানালার কাচ পেটাতে থাকেন্। ওই সময়ে মনিকা দেবীর পরিচিত দিলীপ বাবু নামে জনৈক ব্যক্তি গাড়িটি থামিয়ে পুলিশে খবর দেয়। এরপরে পুলিশ নাকি মনিকা দেবীকে ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা করেন্. বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের ওয়েবসাইটে এয়ারপোর্ট থানার এফ আই আর নম্বর ১৫১।১৮ তারিখ ৯।৭।১৮ দেখলেই এই এফ আই আরটি পাওয়া যাবে। এই মামলার ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্ন্, এফ আই আর লেখক নরেন মিস্ত্রির নাম দেওয়া হয়েছে। কে এই নরেন মিস্ত্রি? নরেন মিস্ত্রি হলেন সোমনাথ গাঙ্গুলীর ঘোলার চেম্বারের ঝাড়ুদার্। উনি নিজে কোন লেখা পড়া জানেন না। গাড়ি থামিয়ে দিলীপ বাবু নামে জনৈক যে ব্যক্তি পুলিশে খবর দিয়ে মনিকা দেবিকে বাঁচিয়েছিলেন্। তিনি হলেন আইনজীবী সোমনাথ বাবুর ফাই ফরমাস খাটা অস্বীকৃত মুহুরি। অভিযোগ কারীনি হলেন সোম্নাথ গাঙ্গুলীর জুনিয়ার আইনজীবী পরিচয় দেওয়া তিতলি সরকারের প্র্তিবেশী। বাকিটা বিচারক মহাশয়্, প্রনম্য আইনজীবীরা তদন্ত করে দেখুন ওই ধর্ষনের মামলাটি করে আসামের ব্যবসায়ী বিজিত রাজ কাওয়ার থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছিল ? মামলাটি এখন কি অবস্থায় আছে ? এবং মামলাটির তদন্তকারী অফিসারের নাম এস আই সাহাবুদ্দিন। ওই সময়ে এস আই সাহাবুদ্দিনকে মামলাটি তার পারিবারিক মামলা বলে কতবার ফোনে এবং স্বশরীরে অনুরোধ জানিয়েছিলেন আইনজীবী সোমনাথ গাঙ্গুলী ? তা সোমনাথ গাঙ্গুলী ও এস আই সাহাবুদ্দিনের মোবাইল ফোনের কল লিস্ট দেখলেই জানা যাবে। এই ভুয়ো মামলার নেপথ্য কারিগর কে ? আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার অন্তর্তদন্তে উঠে এসেছে আইনজীবী সোমনাথ গাঙ্গুলী ও ভুয়ো আইনজীবী তিতলি সরকারের নাম। এবার বিচারকের নির্দেশ সিআইডি বা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক এয়ারপোর্ট থানার ধর্ষনের মামলা নম্বর ১৫১।১৮ তারিখ ০৯।০৭।১৮ এর নেপথ্য কারিগর কে ?
মামলা ২: নিউব্যারাকপুর থানা এফ আই আর নম্বর ২৪।২০১৯ তারিখ ০১।০২।২০১৯। এফ আই আরটি করেছেন প্রিয়াংকা সরকার ওরফে পম্পা। এখানেও মামলার মূল বিষয় হল্, প্রিয়াংকা ওরফে কে নিউবারাক্পুর থানা এলাকার বোদাই ইন্ড্রাস্ট্রি এলাকার একটি ঘরে নগ্ন করে ধর্ষনের চেষ্টা করে রতন ঝা নামে জনৈক ব্যবসায়ী. এই এফ আরের লেখকও নরেন মিস্ত্রি। অভিযোগ কারীনির ঠিকানাও ঘোলা সি ব্লক্, থানা ঘোলা। এই মামলাটির তদন্তকারি অফিসার হলেন নিউবারাকপুর সাব ইন্সপেক্টর সুকল্যান ঘোষ. এই মামলায় অভিযোগ কারীনিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তকারি অফিসার মিসটেক অব ফ্যাক্ট রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন আদালতে জমা দেবেন বলে। কিন্তু নিউব্যারাকপুর থানার দক্ষ ও সৎ ওসি হিমাদ্রী ডোগরার নজরে পড়ে যায় এই সাজানো মামলাটি। ফলে অদালতে আর মিসটেক অব ফ্যাক্ট জমা দেওয়া হয়ে ওঠেনি তদন্তকারি অফিসারের । এয়ারপোর্ট থানা এফ আই আর নম্বর ১৫১।১৮ তারিখ ০৯।০৭।২০১৮ ও নিউব্যারাকপুর থানার এফ আই আর নম্বর ২৮।১৯ তাঅরিখ ০১।০২।২০১৯। ওই দুটো এফ আই আরের লেখকই হলেন নরেন মিস্ত্রি পিতা অনিমেষ মিস্ত্রি, ঠিকানা ঘোলা সুকান্ত পল্লী, থানা ঘোলা। আশ্চর্য্যের বিষয় হল দুটো এফ আই আরের লেখক এক হলেও হাতের লেখা কিন্তু আলাদা। তাহলে এই দুটো এফ আই আর কে লিখলেন ? অভিযোগ কারিনী প্রিয়াংকা বা পম্পার ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল মহিষপোতা কিন্তু প্রিয়াংকা বা পম্পা সরকারের বাড়ির ঠিকানা হল ঘোলা সি ব্লক , থানা ঘোলা, তাহলে মহিষপোতাতে কি করে খুঁজে পাওয়া যাবে প্রিয়াংকা ওরফে পম্পা সরকারকে ? এই পম্পা সরকার ওরফে প্রিয়াংকা কিন্তু সোমনাথ গাঙ্গুলীর জুনিয়র আইনজীবী পরিচয় দেওয়া তিতলি সরকারের পাড়াতুতো দিদি। নিউব্যারাকপুর থানায় ২৮।২০১৯ তারিখ ০১-০২-২০১৯র মামলাটি কিন্তু আইনজীবী সোমনাথ গাঙ্গুলীর সুপারিশেই হয়েছিল. ত্ৎকালীন নিউব্যারাকপুর থানার ওসি আর সোমনাথ গাঙ্গুলীর মোবাইলে ফোনের কললিস্ট দেখলেই ঘটনার সত্যতা জানা যাবে। এই মামলার বিষয়ে অন্তর্তদন্ত চালাতে গিয়ে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার অন্তর্তদন্তে। এই মামলাটির নেপথ্যেও রয়েছেন আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলী ও তার জুনিয়র আইনজীবি পরিচয় দেওয়া তিতলি সরকার্. আরও বিষ্ফোরক তথ্য হল্, এই মামলা করার সময়ে কয়েক লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। এবং বোদাই শিল্পাঞ্চলের জনৈক ব্যবসায়ী এই টাকার লেনদেন করেছে। বিচারকের নির্দেশে সি আই ডি বা পুলিশ দিয়ে তদন্ত করে দেখা হোক, ওই ভূয়ো মামলার নেপথ্যে কে রয়েছে ?
মামলা-৩ হাওড়া আদালতের অন্তগর্ত জগাছা থানা এফ আই আর নম্বর ৭৫।১৯ তারিখ ১৮.০৪.১৯। রাত ১২ টা ৪৫ মিনিটে এফ আই আরটি হাওড়া জগাছা থানাতে করেছেন আশা সাঁতরা। আশা দেবীর এফ আই আরটি লিখেছেন লেখক হিসেবে নাম রয়েছে তিতলি সরকারের । লেখক তিতলি সরকার তার বাড়ির ঠিকানা দিয়েছেন পিতা রনজিৎ সরকার , নিবাস সোদপুর মুড়াগাছা। অভিযোগ কারিণীর ঠিকানা দেওয়া হয়েছে ১নম্বর রেলগেট সোদপুর বাজার , থানা খড়দহ । এই মামলার মূল বিষয় হল , আশা সাঁতরাকে কাজের কথা বলে পম্পা সরকার নামে একটি মেয়ে নাকি আশা দেবীকে কাজের কথা বলে ওই দিন দুপুর দুটো নাগাদ গরফা নিয়ে গিয়ে গরফা রেলগেটের সামনে ছেড়ে দেয়্। এরপর নাকি বস্তির কিছু লোকজন এসে আশা দেবীর ব্লাউজ টেনে ছিড়ে দেয়্। এরপরেই তিতলি সরকার ওই আশা দেবীকে নিয়ে গড়ফা থানায় গিয়ে এফ আই আর করেন। অভিযোগকারিণী আশা সাঁতবার স্বাক্ষরিত এফ আই আরের নীচে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে। যার নম্বর ৯৮৩০৩৬৫৬৯৩।

হাওড়া গরফা থানায় যে এফ আই আর করা হয়েছে আশা সাঁতরা নাম দিয়ে সেই এফ আই আর এর অন্তর্তদন্ত চালাতে গিয়ে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার হাতে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে গেছে। এই এফ আই আর এর বিষয়ে প্রনম্য আইনজীবি আদালতের বিচারক মন্ডলীর ও দেশ বাজ্য তথা বারাকপুর আদালতে আসা বিচার প্রার্থীদের কাছে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার পক্ষ থেকে কিছু প্রশ্ন ও সঙ্গে উত্তরও দিয়ে দেওয়া হছ্হে । যা জানলে বোঝা যাবে উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলী ও সোমনাথ গাঙ্গুলীর জুনিয়র আইনজীবি পরিচয় দেওয়া তিতলি সরকার আইনজীবির তকমা লাগিয়ে সাধারন মানুষকে মিথ্যা ধর্ষনের মামলায় ফাঁসিয়ে লাখ লাখ টাকা রোজগার পাশাপাশি আইনের অপব্যবহার করে গোটা সমাজকে কলঙ্কিত করছে এই দুই ব্যক্তি এবং যে আইনজীবিরা সমাজের মানুষকে সুরক্ষিত ও সুবিচার দিতে জানবাজি রেখে দিনের পর দিন লড়াই করছেন তাদের নামে বদনাম করছেন্। হাওড়া জগাছা থানা এফ আই আর নম্বর ৭৪।১৯ ১৮.০৮.২০১৯ এর এফ আই আর এর লেখক কে এই আশা সাঁতরা ? উত্তর ওই আশা সাঁতরাহলেন উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলীর বাড়ির গৃহ পরিচারিকা।
এফ আই আর এর নীচে আশা সাঁতরার ফোন নম্বর ৯৮৩০৩৬৫৬৯৩ । কিন্তু সত্যি এই ফোন নাম্বারটি কি আশাদেবীর্?
উত্তর , না এই ফোন নাম্বারে ফোন করে দেখা গিয়েছে এই ফোন নাম্বারটি উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলীর জুনিয়ার আইনজীবি পরিচয় দেওয়া তিতলী সরকারের, অথচ এফ আই আর এর নীচে অভিযোগকারিনী ফোন নাম্বার দেওয়ার দস্তুর রয়েছে। তাহলে এখানে কেন সোমনাথ গাঙ্গুলীর জুনিয়র আইনজীবি পরিচয় দেওয়া তিতলী সরকারের ফোন নাম্বার ব্যবহার করা হলো? এর নেপথ্য রহস্য কি ?
আর রহস্য হলো তিতলী সরকারের বাড়ী ঘোলা সি ব্লক থানা ঘোলা। কিন্তু এফ আই আর এ লেখক হিসাবে তিতলীদেবী নিজের ঠিকানা দিয়েছেন সোদপুর মুড়াগাছা। এই ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহারের কারন কি ? এর জবাব কে দেবেন তিতলী সরকার না তাঁর বশ উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলী ?
প্রশ্ন ৩: অভিযোগকারিনী আশা সাঁতরার ঠিকানা দেওয়া হয়েছে সোদপুর বাজার ১নম্বর রেলগেট। জগাছা থানা খড়দহ থানার মাধ্যমে তন্নতন্ন খুঁজে ও এই এফ আই আর এর উল্লিখিত ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি.। এক্ষেত্রে কেন অভিযোগকারিনী বা তিতলী সরকার নিজেদের ভুল ঠিকানা দিলেন্?
প্র্শ্ন ৪: এই এফ আই আর এ পম্পা নামে এক মহিলার ক্থা লেখা হয়েছ। তার পদবী বা ঠিকানার কোন উল্লেখ নেই। কে এই পম্পা ? এই পম্পাই হচ্ছে সেই পম্পা যে প্রিয়াঙ্কা ওরফে পম্পা সরকার্। নিউ বারাকপুর থানায় নিজের ভুল ঠিকানা দিয়ে এফ আই আর করেছিলেন্। যে এফ আই আর নম্বর নিউ বারাকপুর থানা ২৮।১৯ তারিখ ০১।০২।২০১৯। এই পম্পা সরকার সম্পর্কে কিন্তু জগাছা থানা পরিষ্কার ভাবে হাওড়া আদালতে রির্পোট দিয়ে জানিয়েছেন , তিতলী সরকার, বিজয় রায় , রথীনকৃষ্ঞ সরকার, প্রিয়াঙ্কা ওরফে পম্পা দেহ ব্যবসায়ীদের দালাল। এছাড়া প্র্শ্ন হলো আশা সাঁতরা দুপুর দুটোয় জগাছা রেলব্রীজের নীচে গেলেন কে বা কারা তার ব্লাউজ টেনে ছিড়লো অথচ এফ আই আর হলো রাত্রি ১২.৪৫ মিনিটে। ঐ সময়ে ঘোলা সি ব্লকের বাসিন্দা তিতলী সরকার হওড়া জগাছা থানায় কিসের জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন ? তারই নেপথ্য রহস্য লুকিয়ে রয়েছে হাওড়া জগাছা থানার এফ আই আর এ এফ আই আরটি করেছেন হাওড়া চ্যাটার্জী হাটের ৩০।৫ শরৎ চ্যাটার্জী রোডের দেবাশিষ পন্ডিত। ঐ এফ আই আর উল্লেখ দেবাশিষ পন্ডিত ও তাঁর এক ব্যবসায়ী বন্ধু। জগাছা থানা এলাকায় কান্ট্রি ক্লাব হয়ে জগাছা দিয়ে যাচ্ছিলেন রাত্রী ৮.৩০ মিনিট নাগাদ এবং ঐ কান্ট্রি ক্লাবে তাদের বান্ধবী প্রিয়াঙ্কা এবং দুজনের সঙ্গে ছিলেন্। ঐ কান্ট্রি ক্লাব থেকে বেরোনর সময় কান্ট্রি ক্লাবের মূল গেটে স্কুটি , বাইকে প্রিয়াঙ্কার বন্ধুরা অপেক্ষা করছিলেন। তারা যখন বাড়ির দিকে ফিরছিলেন তখন একটি টাটা সুমো গাড়ি নিয়ে দেবাশিষ পন্ডিত এবং তার বন্ধু বিশ্ব্জিৎ চক্রবর্ত্তীর পথ আটকায় এবং গাড়ি থেকে নেমেই কয়েকজন যুবক যুবতী তাদের ঘিরে ফেলে এবং নিজেদের পুলিশ আইনজীবি পরিচয় দিয়ে ঐ দুই ব্যবসায়ীর বুকে চাকু ধরে তাদের গলার সোনার হাড় ছিনতাই করে নেয় এবং বলে কান্ট্রি ক্লাবে তাদের তিন বান্ধবীকে ধর্ষন করা হয়েছে তার জন্য ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে নচেত তাদের থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হবে। বুকে চাকু ঠেকানোয় ঐ দুই ব্যবসায়ীর সম্বীত্ত ফেরে যে, পুলিশ তো কখনো চাকু ঠেকায়না, তাহলে এরা কারা। সঙ্গে সঙ্গে ঐ দুই ব্যবসায়ী বাঁচাও বাঁচাও বলে আর্ত চিৎকার শুরু করে বেগতিক বুঝে অন্যরা পালিয়ে গেলেও জনগনের তাড়া খেয়ে টাটা সুমো গাড়িতে উঠতে পারেনি এক ব্যক্তি ঐ ব্যক্তিকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা গন ধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়্। আর তিতলী সরকার , আশা সাঁতরা , বিয়য় রায় , রথীন কুমার সরকার জগাছা থানায় এসে দাবী করে আশা সাঁতরা কে ব্লাউজ টেনে হিঁচড়ে ছিড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নাছোড়বান্দা জনতা থানা পর্যন্ত ধাওয়া করে ভুয়ো আইনজীবি তিতলী সরকার সহ সোমনাথ গাঙ্গুলীর ড্রাইভার কে হাতে নাতে ধরে ফেলে। পুলিশ যখন তিতলী সরকার সহ অন্যদের গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থ নিতে যাচ্ছিলেন তখনি উত্তরপাড়া থানার অধুনা আই.সি সুপ্রকাশ পট্টনায়েকের ফোন আসে গড়ফা থানার আই.সি সুরিন্দর সিংহের কাছে। ঐ ফনে অধুনা উত্তরপাড়া থানার অধুনা আই.সি সুপ্রকাশ পট্টনায়েক সুরিন্দর সিংহকে তিতলী সরকারকে তিনি ঘোলা থানার ওসির দায়িত্বে থাকাকালীন চিনতেন আইনজীবি হিসাবে। ওসি সুপ্রকাশ পট্টনায়েকর কথা শুনে তিতলী সরকারকে সেই সময় জগাছা থানার পুলিশ গ্রেফতার না করে ছেড়ে দেন। অন্যদিকে সোমনাথ গাঙ্গুলী জগাছা এলাকাতেই তার এই দেহব্যবসার চক্রে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের অপেক্ষায় উদগ্রীব হয়ে থাকেন এবং ঐ সময়ে শতাধিক বার তিতলী সরকারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এই চক্রের পান্ডা তিতলীর বস উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলী। তিতলীর সঙ্গে সোমনাথ গাঙ্গুলীর জগাছা এলাকাতেই বসে ফোনে যে কথা হয়েছিল তা কিন্তু পুলিশের তদন্তেই উঠে এসেছে। তাহলে সোমনাথ গাঙ্গুলী ঐ সময়ে জগাছা এলাকাতে কি করছিলেন ? কেনই বা তার জুনিয়এ আইনজীবি পরিচয় দেওয়া ভুয়ো আইনজীবি তিতলী সরকারের সঙ্গে শতাধিকবার মোবাইলে ফনে বার্তালাপ করার কারন কি ? কথায় বলে র্ধমের কল বাতাসে নড়ে। উঠতি আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলী ও ভুয়ো আইনজীবি তিতলী সরকারের দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা ও মিথ্যা মামলা করার চক্র ফাঁস হয়ে গেল জগাছা থানার হাতে ধরা পড়া পুলিশ সেজে বুকে চাকু ধরার নায়ক ওরফে ঝলক্। কে এই ঝলক ? এই ঝলকি হল উঠ্তি আইনজীবির সোমনাথ গাঙ্গুলীর বিশ্বস্ত সঙ্গী। ঘোলা ও নিউ ব্যারাকপুর থানা থেকে সোমনাথ গাঙ্গুলীর মহুরী পরিচয়ে মামলা তোলা সেই ঝলক্। যাকে পুলিশ থেকে বারাকপুর আদালতের সকল আইনজীবি ও স্বীকৃত ক্লার্করা স্পষ্ট ভাবে তাকে চেনেন বা জানেন । লকাপে থাকা ঝলকের সেই ছবি তুলে ধরলেই সকলেই চিনবেন এই ঝলকি হল আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলীর মুহুরী হিসাবে তার নির্দেশে দিনকে রাত করেন্। ৬২ দিন হাওড়া জেলে জেল খাটার পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে গোটা মামলাটিকে ধামা চাপা দেওয়ার জন্য চোরা পথে আইনজীবি সোমনাথ গাঙ্গুলীর নির্দেশে বাংলাদেশ পালিয়েছেন যাতে সোমনাথ গাঙ্গুলী কোন ভাবেই এই মামলায় ধরা না পড়ে। এই সমস্ত তথ্যই কিন্তু আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার তদন্তে উঠে এসেছে। আর উঠে এসেছে কিভাবে নিজের স্ত্রী কে ঠকিয়ে মক্কেলে বিয়ে করে আবাঅর সেই মক্কেলকেও ঠকিয়ে তাঅর অজান্তে এক তরফা ডির্ভোস করে তারই সঙ্গে সহবাস করছেন্। কিভাবে আদালতের বিচারকের স্বাক্ষরিত আদেশ কেটে নিজের ইচ্ছামতোন আদেশ লিখে নিরীহ মানুষদের ঠকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এসমস্ত তথ্য জানতে আগামি সংখ্যায় লক্ষ রাখুন। ভুয়ো আইনজীবি তিতলী সরকারকে নিউ বারাকপুর থানার সৎ ওসি হিমাদ্রী ডোগ্রা থানায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু ঘোলা থানায় এখনো কিন্তু অবারিত দ্বার। গত ছয় মাসের ঘোলা থানার কেসের পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে অধিকাংশ মামলাই কিন্তু তিতলী সরকারের মাধ্যমে সোমনাথ গাঙ্গুলীর হস্তগত হয়েছে। উল্লেখ্য সোমনাথ গাঙ্গুলী বারাকপুর আদালতে মামলায় স্বাক্ষর করেন না। এই মামলা গুল সোমনাথ গাঙ্গুলী আদালতের অন্য আইনজীবিদের দিয়ে করান্। কোন তদন্ত হলে সোমনাথ গাঙ্গুলী যাতে আইনএর আওতায় না আসে। আর যাদের দিয়ে সোমনাথ গাঙ্গুলী ভুয়ো আইনজীবি তিতলী সরকারের মাধ্যমে তোলা কেসগুলি যে আইনজীবিদের দিয়ে করান তারাই কিন্তু আইনের মন্দির আদালত চত্বরেই সাংবাদিকদের পিটিয়ে রক্তাত্ব করলেন খুনের জন্য। কেড়ে নিলেন সম্পাদক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত ও সাংবাদিক বৃতিসুন্দর রায়ের তথ্যে ভরপুর তিনটি মোবাইল ফোন। কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন ঐ আইনজীবিদের দেহব্যবসার নথিপত্রের ফাইল্। মোবাইল ছিনতাই হলেও ফাইলের রক্ষা পেয়েছে বারাকপুর আদালতেরই বর্ষিয়ান আইনজীবি সত্যব্র্ত্যদাসের তৎপড়তায়। পরিশেষে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার গ্রুপ থেকে স্পষ্ট করতে চাই শুধু বারাকপুর আদালত নয় দেশ , রাজ্য যেখানেই প্রকৃত ও প্রনম্য আইনজীবিরা রয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা , সম্মান অটুট রয়েছে কারন গণতন্ত্র রক্ষায় আইনজীবিদের ভূমিকা উজ্জ্বল ও অনীশাকার্য। ঠিক যেমনটা সাংবাদিকদেরও রয়েছে। ভারতবর্ষতো বটেই গোটা দুনিয়ায় দুনির্তী , ভ্রষ্টাচার , ব্যভিচার , ফাঁস করতে গিয়ে শয়ে শয়ে সাংবাদিকদের প্রান দিতে হয়েছে। সাংবাদিকরাই হলেন সমাজদর্পণ বা সাধারণ জনতার প্র্তিবাদের কন্ঠস্বর। এই মুহুর্তে দুজন সাংবাদিকের কথা খুব জোড়ের সঙ্গে বলা যায়। যারা এই সমাজকে স্বচ্ছ ও দুনির্তী মক্ত করার জন্য প্রান দিয়েছিলেন সাংবাদিক গৌড়িল লঙ্কেশ ও ছত্রপতির কথা, যে ছত্রপতি খুন হয়েও প্রমান করেছিলেন ধর্মীয় গুরু রাম রহীম আসলে একজন ধর্ষক ও খুনী। তেমনি প্রনম্য নিহত সাংবাদিক গৌড়িল লঙ্কেশও দেশ নেতাদের দুনির্তী ফাঁস করতে গিয়ে প্রান দিয়েছিলেন। এবার হয়তো আইনজীবি ও ভুয়ো আইনজীবির দেহ ব্যবসা ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সাধারন মানুষকে সর্বশান্ত করার চক্রকে ফাঁস করার জন্য আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার পালা। গতকাল আদলত চত্বরেই আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার সম্পাদক কে মুহুরী থেকে আইনজীবি উত্তরন হওয়া রাজু সাউ ও সিকান্দার আনসারী এবং সোমনাথ গাঙ্গুলীর দলবল মারতে মারতে রক্তাক্ত করে বলেছিল আদর্শ তিতুমীর পত্রিকায় কেন তাদের কথা ছাপা হচ্ছে। কেন আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার ইউটিউব চ্যানেলে ছাড়া হয়েছে তার জন্য আজই তোর শেষ দিন। পুত্রের সামনে সম্পাদক ধৃতরাষ্ট্র দত্তকে মাটিতে ফেলে মারছিলেন সম্পাদক পুত্র নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি। আরেক সাংবাদিক বৃতিসুন্দর রায় সম্পাদক কে রক্তাক্ত দেখে মাটিতে শুয়ে সম্পাদককে বাঁচাতে গিয়ে রাজু সাউ ও সিকান্দার আনসারীর দলবলের হাতে বেধড়ক মারধোর খেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মুহুরী থেকে আইনজীবিতে উত্তরন হওয়া রাজু সাউ, সিকান্দার আনসারী ও সোমনাথ গাঙ্গুলী শুনে রাখুন আদর্শ তিতুমীর পত্রিকা আপনারা কেন সত্য প্রকাশে আপনাদের থেকেও অস্থিন গোটান বড় গুন্ডাদের ও ভয় পায়না। সত্য সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার গ্রুপে যে কোন সাংবাদিক মরতেও পিছপা হবে না। এর আগে আপনার কন্ঠস্বর প্রকাশ করা হয়েছিল। ফের প্র্কাশ করা হচ্ছে আপনার যা করনীয় আছে আপনি তা করতে পারেন্। কারন আপনি তো আর আইনজীবি নন আইনজীবি রুপে গুন্ডা। সত্যি যদি আইনজীবি হতেন তাহলে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার লেখনীতে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি আপনি আইনের পথেই মোকাবিলা করতেন। আইনজীবি হওয়ার সময় যে শ্পথ নিতে হয় সত্যের পক্ষে থাকার , আশা করি আপনাকে সেই শপথ নিতে হয়নি। সেই শপথ গ্রহন করলে একজন সাংবাদিকের কলমকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তাকে রক্তাক্ত করে খুনের চেষ্টা করতেন না। আদর্শ তিতুমীর পত্রিকা তার জন্ম লগ্ন থেকেই আপনার মতো অন্ধকার জগতের মানুষের মোকাবিলা করে এসেছে। এবারও আপনার সঙ্গী সিকান্দার আনসারী , সোমনাথ গাঙ্গুলীর মানুষ ঠকানোর জাল ছিন্ন ভিন্ন করে প্রকৃত ঘটনা পাঠকের কাছে তুলে ধরতে বদ্ধ পরিকর।কয়েক বছর আগেই বারাকপুর আদালতেই ভুয়ো আইনজীবি ধরতে সি.আই.ডি হানা দিয়েছিল্। সই নামের তালিকা আমাদের হাতেও এসেছে। সেই নিয়েও অন্তর্তদন্ত শুরু করেছে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকা। সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে নজর রাখুন আদর্শ তিতুমীর পত্রিকা গ্রুপে। সকলেই প্রশ্ন তুলেছেন যদি রাজু সাউ , সিকান্দার আলি সোমনাথ গাঙ্গুলী প্রকৃত আইনজীবী হবেন, তাহলে আদর্শ তিতুমীর পত্রিকার প্র্তিবেদনের বিরোধিতা করতে আদালতের দ্বারস্থ না হয়ে , কেন আইনের মন্দির আদালত চত্বরেই সাংবাদিক পিটিয়ে রক্তাত্ব করলেন ? আইনহজীবি বলে কী তাঁরা আইনের উর্দ্ধে ? পাঠক কী বলেন ? আইনজীবি বলেই কী সাতখুন মাফ ?

যদিও অভিযুক্ত আইনজীবীরা তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.