মায়াপুরে উল্টোরথ পালিত হল

ক্রীড়া সংস্কৃতি

শ্যামল রায় নবদ্বীপ,


নদীয়া জেলার হবিবপুর ইসকন জগন্নাথ দেবকে ৫৬ ভোগ দিল কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে যে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সঙ্গে একই নিয়মে ইসকনের রথযাত্রা উৎসব পালিত যেমন হয়েছে তেমনি হবিবপুর ইসকন মন্দিরে নানা অনুষ্ঠানের সাথে ভোগ দেওয়া হলো জগন্নাথ দেব কে।
ভোগে অন্যের সঙ্গে বিভিন্ন পদের ভাজা ছিল যার মধ্যে রয়েছে আলু ভাজা পটল ভাজা তালের বড়া কাঁচকলা এছাড়াও বিভিন্ন পদের শাক নানান পদের তরকারী। লাউ ঘন্ট ও এঁচোড় পটলের দোরমা পনির ধোকা প্রভৃতি এবং পায়েস মিষ্টি পরিবেশিত হয়।
হবিবপুর ইসকন এর সভাপতি সুন্দর নিতাই দাস মহারাজ জানিয়েছেন যে মন্দিরে জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার পাশাপাশি বাকি সমস্ত দেবতার জন্যই ভোগের আয়োজন করা হয়েছিল রথের দিন জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা কে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে রানাঘাটে শাস্তির মাঠে অস্থায়ী মাসির বাড়িতে রাখা হয়েছিল এদিন উল্টো রথের দিন জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা সেই মাঠে ছিলেন সাত দিন থাকার পরে ফের মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হয় ।
কথিত আছে যে ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা প্রভুপাদ চেয়েছিলেন তার ভক্তদের কলকাতা থেকে মায়াপুর দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার মাঝে কোন এক জায়গায় একটি বিশ্রামাগার তৈরি করা হবে যেখানে মায়াপুর ইসকনের বেশ কিছুটা আগে হবিবপুর হাজার ১৯৯৭ সালে আরেকটি ইসকন মন্দির তৈরি হয় এবং এখানেই গড়ে তোলা হয় জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা একটি বড় মন্দির ।
আরো জানা গিয়েছে যে এই ইসকন মন্দিরে রয়েছে দাতব্য চিকিৎসালয় বিনোদনের জন্য বড় পার্ক মন্দির এর পেছনে রয়েছে বিশাল গোশালা গীতা কলেজ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে আগামী দিন প্রতিদিন প্রচুর দেশ বিদেশ থেকে প্রচুর ভক্ত প্রচুর ভক্ত এখানে আসে।
ইসকন মন্দিরের উল্টোরথ পালিত হয় এবং ভক্তদের মধ্যে প্রচুর ফল প্রসাদ শুকনো মিষ্টি বিতরণ করা হয়। নবদ্বীপ শহরেও গৌড়ীয় মঠ মনিপুর মঠ নিমাই এর জন্মস্থান থেকেও উল্টোরথ যথা মর্যাদার সাথে পালিত হয় এবং বিদ্যানগর শ্রী চৈতন্য সেবা সমিতির উদ্যোগে উল্টো রথ পালিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.