গ্রন্থাগার বেহাল, চিঠি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী কে

প্রশাসন

জুলফিকার আলি,

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ছাত্র-ছাত্রী রা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হারে রাজ্যের মধ্যে লাগাতার বেশ কিছু বছর ধরে প্রথম স্হান অধিকার করে অাসছে।অথচ সেই পূর্বমেদিনীপুর সহ সারা রাজ্যে গ্রন্হাগার সমূহের বেহাল অবস্হা।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১২১ টি গ্রন্হাগার সমূহে সবমিলিয়ে অনুমোদিত লাইব্রেরীয়ান ও জুনিয়র লাইব্রেরী অ্যাসিট্যান্ট পদের সংখ্যা ২৭০জন।অথচ এখন কর্মরত অাছেন মাত্র ৫৯ জন।ফলশ্রুতি হল এক একজন গ্রুপ-ডি কর্মচারীকেও ২-ত টি করে গ্রন্হাগার দেখতে হয়।এত করেও ২৯- ৩০ টি গ্রন্হাগার বন্ধ অবস্হায় পড়ে অাছে।রাজ্যের অবস্হা অারও বেহাল।রাজ্যের ২৪৮০টি গ্রন্হাগারে অনুমোদিত ৫৬০০ টি পদের মধ্যে ফাঁকা প্রায় ৪০০০।রাজ্যে প্রায় ৭০০ টি গ্রন্হাগার বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।অথচ গ্রন্হাগারের লক্ষ লক্ষ বই ঠিবমত ব্যাবহৃত না হওয়ায় উঁইপোকা- মাকড়ের খাদ্যে পরিনত হচ্ছে। কিছু কিছু পাঠাগার জঙ্গল ও অাবর্জনায় ভরে গিয়েছে।উল্টে বন্ধ পাঠাগারে চলছে অসামাজিক কাজকর্ম।২০০৯ সাল থেকে ১০ বছর গ্রন্হাগার দপ্তরে কোন নিয়োগই হয়নি।যে রাজ্যে গ্রন্হাগার সমূহের এই হাল সেখানে বই পড়াশুনার অভ্যাস তো লাটে উঠবেই।ছেলে-মেয়েরা মোবাইলে অাকৃষ্ট হচ্ছে।সুস্হ সংস্কৃতির পরিবর্তে অপসংস্কৃতি অারো পরিপুষ্ট হচ্ছে।গ্রন্হাগার সমূহে অবিলম্বে নিয়োগ ও সুচারুভাবে পরিচালনার দাবী সম্বলিত চিঠি রাজ্যের গ্রন্হাগার মন্ত্রী সিদিকুল্লাহ্ চোধুরী কে পাঠিয়েছেন প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.