গুসকারায় দুই জাঁদরেল নেতা জোড়াফুল ছেড়ে কেন বিজেপিতে গেলেন? এদের অবদান জানেন

রাজনীতি

জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী,


একটা জনপ্রিয় ছাতা কোম্পানির বিজ্ঞাপনকে একটু বদলে বলা যায় – শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা আপদে-বিপদে চাঁদুদা আউসগ্রামের অসহায় তৃণমূল কর্মীদের ভরসা।সিপিএমের সময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গুসকরা তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টী অফিসে বসে থাকতেন সবার চাঁদুদা ওরফে চন্দ্রনাথ ব্যানার্জ্জী। অনেকেই বলেন সামনে চঞ্চল গড়াই থাকলেও নীরবে সংগঠন গড়ে গেছেন চন্দ্রকান্ত। সারাদিন ধরে পার্টী অফিসে আগত তৃণমূল কর্মীদের অভাব অভিযোগ শুনতেন।চেষ্টা করতেন সমস্যার সমাধান করতে। সিপিএমের হাতে বারবার হেনস্তার শিকার হয়েছেন। ২০১৬ সালে বিধানসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্টও ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকেই চরম অবহেলার শিকার হতে থাকেন তিনি ।অবশেষে একরাশ অভিমান বুকে নিয়ে গতকালই রাজনৈতিক গুরু চঞ্চল গড়াই এর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন একদা আউসগ্রাম ১নং ব্লকের ব্লক-সভাপতি চন্দ্রনাথ ব্যানার্জ্জী।
শুরু থেকেই তৃণমূল করে আসা চন্দ্রনাথ বাবু জানালেন – যতদিন তিনি তৃণমূলে ছিলেন চেষ্টা করে গেছেন সংগঠনকে মজবুত করতে। শুধু আউসগ্রাম নয় ভাতার বা মঙ্গলকোট থেকে আগত তৃণমূল কর্মীদের সমস্যার কথা শুনে সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। ইচ্ছে না থাকলেও উচ্চতর নেতৃত্বের অবহেলার জন্যই তিনি দল ছাড়তে বাধ্য হলেন।
চঞ্চল গড়াই বা চন্দ্রনাথ এর দলত্যাগ প্রসঙ্গে বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার বা গুসকরা শহর সভাপতি কুশল মুখার্জ্জী কিছু বলতে চাননি।
এদিকে একসাথে দুই প্রবীণ নেতার দলত্যাগে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে বয়স হলেও চঞ্চল গড়াই নামটাই যথেষ্ট।আবার চন্দ্রনাথের মত দক্ষ সংগঠকের অভাব প্রতি মুহুর্তে অনুভূত হবে। এখন দেখা যাক এই দলত্যাগ গুসকরায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলে?

Leave a Reply

Your email address will not be published.