ক্রীড়া সংস্কৃতি

একুশে জুলাই স্মরণে চিত্তরঞ্জন তৃণমূল

চিত্তরঞ্জন শহরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২১ সে জুলাই পালিত হল ।

কাজল মিত্র

:- ২১শে জুলাই দীর্ঘ২৭ বছর ধরে এদিন শহীদ দিবস পালন করে আসছে তৃণমূল। কিন্তু, এবছর করোনার জেরে ধর্মতলায় বিশাল সমাবেশ এড়িয়ে ভার্চুয়ালে শহীদ দিবস পালন করছে তৃণমূল।আর তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নির্দেশে রাজ্যের প্রত্যেক বুথে বুথে পালন করা হচ্ছে শহীদ দিবস।
তাই এই শহীদ দিবস উপলক্ষে  
চিত্তরঞ্জন শহরের ৩নম্বর গেট সংলগ্ন তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ বেদিতে মাল্যদান করে
২১সে জুলাই শহীদ দিবস পালিত হলো।
এই প্রসঙ্গে চিত্তরঞ্জন ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল গোপ বলেন আজকের
এই দিনটি তৃণমূল কংগ্রেস দলের কাছে বিশেষভাবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ।প্রতিবছর এইদিনটিকে সাড়ম্বরে পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস ।কিন্তু এই বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে তৃণমূল সুপ্রিমো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তিনি ভার্চুয়াল সভা করবেন।সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত ।এছাড়া বারাবনি বিধায়ক নির্দেশ দিয়েছেন যে সকলে যেন নিজ নিজ বুথে এই শহীদ সভা পালন করে এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে আর সংক্রমণ ও ছড়াবেনা ।
এদিন চিত্তরঞ্জন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তাপস ব্যানার্জী বলেন যে আজকের
দিনে ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন সরকারের আমলে কলকাতার রাজপথে সেইসময়ের কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনে বাধা দেয় পুলিশ আর এই পুলিশের
গুলিতে ১৩জন তৃণমূলের কর্মী মারা যায় এছাড়াও বহু কর্মী আহত হয়েছিলো তাছাড়া ওই আন্দোলনে মমতা ব্যানার্জীর উপর লাঠি, রড, বাস দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, তারই পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ১৩জন শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার জন্য প্রতিবছর আজকের দিনে কলকাতার রাজ পথে মহামিছিল করেন,কিন্তু বর্তমান সময়ে দেশের অবস্থা শোচনীয় দেশে করোনা ভাইরাসের জেরে আজ আমাদের কার্যালয়ে এই শহীদ শ্রদ্ধাঞ্জলি
অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালানপুর ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি মিঠুন মণ্ডল,নীলিমা বোস,দেবব্রত ঘোষ, ধীমান চক্রবর্তী, অর্ধেন্দু রায়, সুবীর অধিকারী সহ আরো অনেকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *