ক্রীড়া সংস্কৃতি

‘সিঁদুর খেলায় হইচই’ ব্যান্ড আম্বাসাডর হলেন অভিনেত্রী সোনালী চৌধুরী

গোপাল দেবনাথ ,

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর ভ্রুকুটি এবং এক অজানা আতঙ্ক  প্রতি মুহূর্তে সাধারণ মানুষ কে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। মা দূর্গা স্বপরিবারে আমাদের বিশ্ব পরিবারের সাথে মিলিত হয়ে কয়েকটা দিন আনন্দের ভাগিদার হবেন। তাঁর কৃপা ভক্তদের প্রতি বর্ষিত হবে। তারই কৃপায় করোনা মহামারীর বিনাশ হবে বলেই ভক্তদের মনে গভীর বিশ্বাস। গত সাত মাস ধরে মানুষ কে বহু দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে এবং আজও হচ্ছে। তা সত্ত্বেও মা আসছেন চারিদিকে সাজো সাজো রব শুরু হয়ে গেছে। বহু মণ্ডপে মায়ের আগমন ইতিমধ্যে হয়ে গেছে। বিবাহিত নারীর জীবনে সিঁদুর এবং টুকটুকে লাল আলতার ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিজয়া দশমীর দিন প্রাচীনকাল থেকে সিঁদুর খেলার প্রচলন এবং আজও সেই পরম্পরা বজায় আছে। আজ প্রথমা ঢাকে প্রায় কাঠি পড়ে গেছে। সিঁদুর ও আলতার কথা বলতে গেলে যার নাম সবার আগে মনে পড়ে সেটা হলো খুকুমণি আলতা সিঁদুর এবং খুকুমণি কেয়ার। এই সংস্থার সাথে এস. সি. কমুনিকেশন যৌথভাবে প্রেস ক্লাব, কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। ‘সিঁদুর খেলায় হইচই’ এই বছর তৃতীয়বর্ষে পদার্পন করলো। সিঁদুর খেলায় হৈচৈ এর ব্র্যান্ডআম্বাসাডার হলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী সোনালী চৌধুরী। এই দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুকুমনির কর্ণধার সোমনাথ দত্ত, সংগীতা চক্রবর্তী, কস্তুরীর কর্ণধার বিশাল সাহা, অভিনেত্রী সোনালী চৌধুরী এবং ডাঃ অংশুমান গোস্বামী।  সিঁদুর খেলায় হৈ চৈ তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে প্রথম “সেরা সেলফি সুন্দরী”। দ্বিতীয় “সুসজ্জিত বরণডালা”। তৃতীয় “সর্বজয়া” (করোনা যোদ্ধা)। প্রতিযোগীরা তাদের আলোকচিত্র সংস্থার দপ্তরে পাঠাবেন সেই আলোকচিত্র থেকে তিনটি বিভাগ থেকে সেরা দশ জন বাছাই হবেন এবং তারাই ফাইনাল রাউন্ডে যাবেন। জয়ী প্রতিযোগীদের বিশিষ্ট বিচারক মন্ডলী বাছাই করে নেবেন। জয়ীদের নাম  ই মোশন মিডিয়া ওয়ার্কস এর ইউ টিউব চ্যানেলে ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া ফাইনাল এওয়ার্ড ফাংশন এস. সি. কমুনিকেশন এর বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে দেখা যাবে। এস সি কমুনিকেশন বিশ্বাস করে স্বপ একা দেখলে হবে না সবাই কে নিয়ে দেখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *