পারুলিয়া বাজারে হরিনাম সংকীর্তন

ক্রীড়া সংস্কৃতি


দীপঙ্কর চক্রবর্ত্তী,


প্রতি বছরের মত এবারও গত কয়েকদিন যাবৎ পূর্বস্হলীর পারুলিয়া বাজার কমিটি আয়োজিত হরিনাম কীর্তন অনুষ্ঠিত হল।বাজারের চালা ঘরে এই নাম কীর্তন চলল দশ দিন যাবৎ।কীর্তনের পরে লীলা কীর্তন,কবিগান ও বাউল সংগীত পরিবেশিত হয়।নবদ্বীপের বলদেব মন্দীরের অধীরাজ গোশ্বামীর শ্রীমন ভাগবৎ পাঠের মধ্য দিয়ে এই হরনামের শুভ সূচনা হয়।
বাজার কমিটির কালীশঙ্কর ব্যানার্জী,মনতোষ ভৌমিক,শঙ্কর ভৌমিক,শ্যামসুন্দর ব্যানার্জী অনিল দেবনাথ,স্বপন সাহা বলেন প্রতি বছর এই কীর্তনের সময় উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা থাকতো বলে দশ দিন মাইক বাজিয়ে কীর্তন চালানো খুবই অসুবিধা হত,মাইকের আওয়াজ খুব কম করে বাজাতে হত।কিন্তু এবছর লোকসভা ভোটের জন্য পরীক্ষর সময় এগিয়ে আসাতে কীর্তন খুব সুন্দর নির্বিঘ্নেই হয়েছে।স্হানীয় ও দূরদূরান্তের বহু বিভিন্ন বয়সের পুরুষ মহিলা ভক্ত এই কয়দিনের কীর্তন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ করে।কীর্তনের জন্য কোন রাজনৈতিক দলও পারুলিয়া বাজারে ভোটের জন্য মিটং মিছিল বন্ধ রেখেছিল।পন্চাশ বছর ধরে চলা এই নাম কীর্তনের শেষে আয়োজিত হয় মহা প্রসাদের।সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ এখানে প্রসাদ পান।অতি বড় বড় কড়াইয়ে সকাল থেকেই পুরুষ,মহিলারা খিচুড়ী প্রসাদ তৈরী করা শুরু করেন।এই কদিন সকলে সব বাধাপিছনে ফেলে এক হয়ে এই মিলন মেলায় হাজির হয়।তরুন অধীরাজ গোশ্বামীর ভাগবৎ পাঠ,তার সুন্দর ব্যখ্যা,নানান উদাহরনের মাধ্যমে এবং পরে তার সুমিষ্ট কন্ঠে রাধা কৃষ্ন বিষয়ক ভজন,ও বিভিন্ন সংগীত পরিবেশন সকল ভক্তমন্ডলীকে আনন্দ দান করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.