প্রশাসন

বর্ধমান মেডিকেল হাসপাতালে পরপর চিকিৎসকদের করোনা পজিটিভ, তবুও প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রয়েছে ‘ভগবান’

সুরজ প্রসাদ

সোমবার সকাল থেকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক বিভাগের আউটডোর পরিষেবা বন্ধ থাকে। কারণ ওই বিভাগের এক কর্মীর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আগামী তিনদিন জীবানুমুক্ত করার জন্য মানসিক ওয়ার্ড বন্ধ রাখা হবে। একইভাবে ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের এক কর্মীর পজিটিভ রিপোর্ট আসায় ওই বিভাগের আউটডোর পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। এদিন মানসিক বিভাগের বহু রোগী চিকিৎসা করাতে এসে ফিরে যান। কাটোয়ার কৃষ্ণা দাস, সাহাজাদপুরের ফরিদা সেখ,ভাতারের ভুমসোর গ্রামের নুরবানু মণ্ডলরা জানান, আগাম কিছু না জানিয়ে ওয়ার্ড বন্ধ থাকায় তাঁদের ফিরে যেতে হচ্ছে। কিভাবে ওষুধ মিলবে সেই নিয়ে বাড়ছে চিন্তা।

তবে আরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে চিকিৎসকদের করোনা রিপোর্ট। এদিন ফের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ৬ জন চিকিৎসকের রিপোর্ট পজিটিভ হয়। আগেও প্রসূতি বিভাগের এক চিকিৎসকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। একের পর এক চিকিৎসক  করোনা পজিটিভ হওয়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ হাসপাতাল কর্তাদের। পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার জন্য সোমবার হাসপাতালের সমস্ত বিভাগের প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে সিন্ধান্ত হয়েছে, পরিষেবা সচল রাখার জন্য বিভিন্ন বিভাগ সংযুক্ত করা হবে। এবং সমস্ত ইউনিট ভেঙ্গে একটিই ইউনিট করার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তাদের কথায়, মানসিক বিভাগের অনেক ওষুধ মেডিসিন বিভাগ দিতে পারবে, তাই মানসিক ওয়ার্ড বন্ধ থাকার সময় মেডিসিন বিভাগ এই বাড়তি দায়িত্ব নেবে। তেমনই প্রসূতি বিভাগের বেশকিছু চিকিৎসক করোনা পজিটিভ হওয়ায় তাঁদের সাহায্য করবে সার্জারি বিভাগ। এইভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *